কিন্ডারগার্টেনগুলো বাঁচিয়ে রাখার উদযোগ নিন

Sun, Jun 20, 2021 12:24 PM

কিন্ডারগার্টেনগুলো বাঁচিয়ে রাখার উদযোগ নিন

আবদুস সোবহান বাচ্চু : বৈশ্বিক মহামারী করোনা প্রাদুর্ভাবের কারনে আমাদের দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘ ১৬ মাস বন্ধ রয়েছে দেশের অর্ধ লক্ষাধিক কিন্ডারগার্টেন।অবর্ণনীয় অর্থকষ্টে দিনানিপাত করছেন সরকারি বা বেসরকারি সাহায্য বঞ্চিত এর সাখে সংশ্লিষ্ট প্রায় দশ লক্ষ শিক্ষক-কর্মচারি। সরকার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষদের সহায়তা বা প্রণোদনা দিলেও দেশের কোন কিন্ডারগার্টেন স্কুল বা তাদের শিক্ষক কর্মচারিদের বিষয়টি খুব যত্নের সাথে এড়িয়ে গেছেন।

স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে গত ৫০ বছরে ৫০ হাজারের বেশি কিন্ডারগার্টেন ও সমমানের স্কুল প্রতিষ্ঠা করে দেশের প্রাথমিক শিক্ষার ধারাকে কেবল সচলই রাখেনি, করেছে মান সম্মতও।ব্যাক্তি উদযোগে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যে অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারি বেতন বা প্রশিক্ষণের নামে সরকারের এক পয়সা ব্যায় করতে হয়নি কোন দিন।

কিন্ডারগার্টেনগুলোও কোনদিন দাবী করেনি কোন আর্থিক সুবিধা। নিজেদের মত করে, নিজস্ব অর্থায়নে চলা এসব প্রতিষ্ঠান দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান ন্যূনতম পর্যায়ে ধরে রেখেছে। নূনতম বললাম এ জন্যে যে, জুন ২০২০তে প্রকাশিত বিবিসি জরিপ বলছে, সরকারি প্রাইমারি পাশ করা ৬৫% ছেলেমেয়েরা বাংলা রিডিং পড়তে পারে না। এছাড়াও ইউনেস্কোর প্রতিবেদন বলছে, ১২৬টি দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় বাংলাদেশের অবস্থান ১১২ এবং দক্ষিন এশিয়ায় সর্বনিম্ন।

মাত্র দু’টি জায়গায় খেয়াল করলেই এ কথার সত্যতা মেলে। প্রথমত: যখন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রিকে আক্ষেপের সুরে বলতে শোনা যায়, ‘কিন্ডারগার্টেনর তিন হাজার টাকা বেতনের শিক্ষকরা যা পারে আপনার ৩০ হাজার টাকা বেতন নিয়েও তা পারেন না কেন!’ আর দ্বিতীয়তঃ সরকারি প্রাইমারির কোন শিক্ষা কর্মকর্তা বা শিক্ষকদের ছেলেমেয়েরা তাদের স্কুলে না পড়ে, যখন কিন্ডারগার্টেনগুলোতে পড়ে। এ পর্যন্ত হয়ে যাওয়া প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের দিকে তাকালেও দেখা যাবে ৭০-৮০% ভালো ফলাফলও কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীদের। যদিও এ কথায় অনেক শিক্ষা কর্মকর্তার আপত্তি থাকতে পারে। ওটুকু না থাকলে তার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হতে পারে। আবার অনেক শিক্ষক বা শিক্ষক নেতৃবৃন্দ আছেন যারা সব সময়ে সরকারি দলের সমর্থক (যখন যে দল ক্ষমতায় থাকেন) তারা উষ্মা প্রকাশ না করলে তাদেরও পদ পদবী সংকটে পড়ে যেতে পারে। কাজে কাজেই ওগুলো ধর্তব্যের মধ্যে নয়।

সরকারি প্রাইমারির শিক্ষক ও শিক্ষা দানের মান নিয়ে বিভিন্ন মহলের দীর্ঘদিনের অনেক অসন্তুষ্টি রয়েছে। তাদের বেশিরভাগই অন্য যে কোন চাকুরীর মতই ৯-৪টা ডিউটি করেন মাত্র। পাঠদানের যোগ্যতা ও আন্তরিকতার মাপকাঠিতে নিম্নসূচকে অবস্থান সব সময়েই। যদিও অনেক শিক্ষক আছেন যারা যে কোন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবার যোগ্যতা রাখেন। আবার প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় বসিয়ে দিলে ঠিকমত পাশ করে আসবেন কিনা সন্দেহ আছে এমন শিক্ষকের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়।

কথায় আছে, যে যায় লংকা সেই হয় রাবণ!’ এক সময়ে কিন্ডারগার্টেন স্কুলের আইকনিক শিক্ষকও যখন সরকারি প্রাইমারির শিক্ষক হবার সুযোগ পান, তখন তিনি আর নিজ শিক্ষকতা জীবনের নিকট অতীতের সুনামের ধারাবাহিকতায় কাজ করতে পারেন না। অকর্মন্যের স্রোতের গড্ডালিকায় গা ভাসিয়ে তথৈবচ হয়ে যান। যেন সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস।

যে কোন ক্ষেত্রে যোগ্য প্রতিপক্ষ না থাকলে সে ক্ষেত্রে কাজের যথাযথ মানোন্নয়ন ঘটে না। উদভাবনী কৌশল তৈরি হয়না। প্রতিযোগিতার প্রয়োজন অনুভব হয়না। কিন্ডারগার্টেনগুলো ছিল বলেই মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় তাদের সাথে সরকারি শিক্ষকদের যোগ্যতা, আন্তরিকতা, অধ্যবসায়ের তুলনা করতে পেরেছিলেন, আক্ষেপ করতে পেছিলেন। এটুকুর অবশ্য অবশ্যই দরকার আছে। আর এ জন্যই একটি স্ট্যান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন হিসাবেই সরকারের উচিত আপদকালে যথাযথ প্রণোদনা প্রদান ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণে কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষকদের অন্তর্ভূক্ত করা। প্রাথমিক শিক্ষায় কিন্ডারগার্টেনকে অবজ্ঞা বা অবহেলা না করে, প্রতিপক্ষ বা প্রতিযোগী না ভেবে, সহযোদ্ধা বা সহযোগী মেনে নিয়ে জাতি গঠনে আত্মনিবেদিত হয়ে ওঠা।

কেউ কেউ মনে করেন, কিন্ডারগার্টেন না থাকলে ক্ষতি নেই। রাতারাতি হাজার হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকার তা ঠিক সামলে নিতে পারবে। যেভাবেই বলিনা কেন, দেশব্যাপী এই অর্ধলক্ষাধিক কিন্ডারগার্টেন স্কুলের কোটি শিক্ষার্থীদের সংকুলানের মত অবকাঠামো গড়া সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ যা সহসাই বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। রাতারাতি শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যাবে কিন্তু তাদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার প্রশিক্ষণের বিষটি আমলে নিলে কি সেটি রাতারাতি আদৌ সম্ভব..? একেবারেই সম্ভব নয়।

কিন্ডারগার্টেনগুলো আজ পরিস্থিতির কারনে বাধ্য হয়েই দাবী তুলেছে তাদের অচলাবস্থা কাটাতে সরকারি সহায়তা পেতে। এটি হতে হবে স্রেফ অনুদান। অনেকে ব্যাংক ঋণের কথা বলেন। এখানে বলে রাখা ভালো, দালিলিক প্রমান ছাড়া কোন ব্যাংক ঋণ দিতে পারবে না। আর ৯৮% কিন্ডারগার্টেন ভাড়া বাড়িতে পরিচালিত হয়। তারা দালিলিক প্রমান দিতে অক্ষম। যদিও দু’জন গ্যরান্টার হলে এস.এম.ই. ঋণ পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু তা কিন্ডারগার্টেনগুলোর জন্য হিতে বিপরীত হবে। গলার ফাঁস হয়ে যাবে দু’টো কারনে। প্রথমতঃ এস.এম.ই. ঋণ মঞ্জুরের পরের মাস থেকেই কিস্তি শুরু হয়ে যায়। দীর্ঘ বন্ধের পরে, প্রাতিষ্ঠানিক ভগ্নদশায় প্রতিমাসে কিস্তি পরিশোধ মরার উপর খড়ার ঘা হয়ে যাবে। আর দ্বিতীয়তঃ এর উচ্চ সুদ।

এবারে একটু ভিন্ন প্রসংগে কথা বলতে চাই। ইউনিসেফ বলছে, করোনার অযুহাতে দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রেনী কক্ষে ক্লাশ বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেশ হিসাবে বাংলাদেশ সর্বাগ্রে। এ পর্যন্ত ১৮ বার বৃদ্ধি করা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি। বহুবার বিভিন্ন প্রস্তুতির কথা বলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার উদযোগ নেয়া হয়নি। সরকারের এ ধরণের ঘোষণারা প্রতি এখন আর দেশের মানুষের আস্থা নেই। প্রকারান্তরে সরকারেরও সদিচ্ছা নেই বলে প্রতীয়মান হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেবার প্রশ্নে। কেননা আমাদের বিভিন্ন মন্ত্রী মহোদয়গণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ বৃদ্ধিতে বেশ সরব। কখনো পানি মন্ত্রী, কখনো সেতুমন্ত্র, কখনো জনপ্রশাসন মন্ত্রী মন্তব্য করেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বৃদ্ধি নিয়ে। ক্ষমতাসীনদের বর্ষীয়ান নেতা বলেন, ‘যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার উষ্কানি দেয় তারা জাতির শত্রু।‘ আমাদের শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয় সম্প্রতি বলেছেন, তিনি কোন মহলের চাপ অনুভব করেন না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে। আবার কখনো বলেন সংক্রামন ৫% এর নিচে নামলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে। আবার বলেন শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হয়ে গেলে খুলবে। মানুষ এগুলোকে অসংলগ্ন কথাবর্তা বলে মনে করে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে চাপ কেন.? তাঁর তো দায়িত্ববোধ থেকে তাগিদ অনুভব করার কথা।

 

 

 

দেশে এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব খোলা। সব চলছে। অফিস-আদালত, গণপরিবহন, পার্ক-বিনোদনকেন্দ্র, মিছিল-মিটিং-অনশন, সামাজিক অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক কর্মসূচি, নির্বাচনি ডামাডোল, প্রতিপক্ষের উপর হামলা-মামলা-খুন-গুম-হয়রানি। সব চলছে, কিছু থেমে নেই। কোন শিক্ষার্থী ঘরে বসে নেই। বরং স্কুলহীন ছন্নছাড়া জীবনে তারা আসক্ত বিভিন্ন ডিভাইসে, বিভিন্ন কুপ্রবৃত্তিতে। পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে তাদের ভাবনা ও আচরণ। সবার অলক্ষ্যে জড়িয়ে যাচ্ছে কিশোর অপরাধে। চারিদিকের লাগামহীন অব্যবস্থাপনা, দুর্নিতী, লুটপাট, মিথ্যাচার, হানাহানি প্রত্যক্ষ করে বেড়ে উঠছে তারা। পৃথিবীর সব শিশুরাই ৭৪% বিষয় দেখে শেখে। পৃথিবীর কোন শিশুরাই বড়দের কথা শোনে না, তারা অনুকরন করে। একবার ভেবে দেখুন তো আমাদের শিশুরা কি শিখছে, আর কি অনুকরণ করছে এই সময়ে..?

আমাদের স্বাস্থ্যসেবাখাত প্রতি বছর ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়লেই হিমসিম খেয়ে যায়। হাসপাতে জায়গার অভাব, প্রয়োজনীয় ওষুধের অভাব, সেবাদানকারী চিকিৎসকের অভাবসহ হেন কোন অভাব নেই যা প্রতি বছর গণমাধ্যমে প্রকাশ না পায়। পাশাপাশি সে অভাব কাটিয়ে উঠতে, পরবর্তী বছরের জন্যে উদযোগের অভাবও দেখতে অভ্যস্ত এখন আমরা। করোনা পরিস্থিতি সামলাতে এ স্বাস্থ্যখাত যে কতটা ব্যর্থ তা আর উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করি না। এ খাতের অবাধ দুর্ণিতী-লুটপাটের কাহিনী সবার মুখেমুখে মুখরোচক গল্পাকারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই এ নিয়ে আলোচনাও অবান্তর এখানে। সেই স্বাস্থ্যসেবা টিম দিয়ে শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের পরিসেবা আশা করাটা নেহায়েতই বাতুলতা।

দেখতে দেখতে আমাদের সন্তানদের জীবন থেকে দু’টি শিক্ষা বছর যেতে চলল। যেভাবে টিকা কার্যক্রম চলছে, তা নিরবিচ্ছিন্ন হলেও সবাইকে টিকা দিতে আরো সাত বছর লাগবে। তাহলে কি আরো সাত বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে..? প্রত্যেকবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বন্ধ বৃদ্ধির ঘোষণা এলেই শিক্ষক নামধারী কিছু প্রাণি সোস্যাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বসিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়দেরকে সাধুবাদ জানায়। এগুলো চাটুকারিতা, স্তুতি, পদলেহন, বিশেষ উদ্দেশ্যপ্রণদিত কর্মকান্ড মাত্র।

 

 

 

সবিনয়ে জানাচ্ছি, কাউকে উদ্দেশ্য করে বা আক্রমন করে বা হেয় করে কিছু বলছি না। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, ‘কাঁচা আমের রসটাই অম্লরস আর কাঁচা সমালোচনাটাই গালিগালাজ। অন্য ক্ষমতা যখন কম থাকে, তখন খোঁচা দিবার ক্ষমতাটা খুব তীক্ষ্ণ হইয়া ওঠে।’ আমাদের সহ্য করার ক্ষমতাটা কমতে কমতে এখন নাই হয়ে গেছে। তাই হয়তো প্রসঙ্গক্রমে বলা কিছু কথায়, কিছু শ্রেণি-পেশার কিছু মানুষ আহত হতে পারেন। সেটি একেবারেই অনিচ্ছাকৃত। আমাদের সিথান থেকে বিবেচনা করলেই কেবল তা উপলব্ধি করতে পারা যাবে।

আমাদের সাফ দুটি আবেদন। একটি সরকারের কাছে আর একটি সচেতন অভিভাবকদের কাছে। সরকারের কাছে আবেদনঃ সবাইকে যেভাবে, যে পরিসরে, যে শর্তে তাদের কর্মকান্ড পরিচালনার অনুমতি দিয়েছেন। সেভাবেই যে কোন শর্তে, যেকোন পরিসরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগিুলো খুলে দিন। এই ১৬ মাসে যে ক্ষতি হয়েছে তা আগামি ৫০ বছরের নিরবিচ্ছিন্ন শ্রমেও পূরন হবে কিন্ সন্দেহ। কেননা এর সাথে শিশুর মানসিক, আচরণ, অভ্যাস, আসক্তি, ও দৃষ্টিভঙ্গীগত নানবিধ স্পর্শকাতর বিষয়গুলো জড়ানো। এগুলোকে ছোট করে দেখবার বা উপেক্ষা করবার কোন সুযোগ নেই। তাই কাল বিলম্ব না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিন আজ, এক্ষুনি।

 

অভিভাবকদের কাছে আবেদনঃ সন্তান আপনার, তাই সিদ্ধান্তও আপনাকে নিতে হবে। একটি ভুল পথে হাঁটছি আমরা সবাই। নীপিরনের ভয়ে মুখ বুজে থেকে নিজ সন্তানের কি পরিমান ক্ষতি করছেন, তা কবল আপনাকেই নিরুপন করতে হবে। যারা বলছেন, শিক্ষার চেয়ে বেঁচে থাকাটাই বড়। তাদের বলুন, ঘরে থেকেও করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে মানুষ। দু’ডোজ টিকা নিয়েও অহরহ মরছে মানুষ। স্কুল, কোচিং বা প্রাইভেটে গিয়ে মারা যাবার কোন সংবাদ শোনা যায়নি আজ পর্যন্ত। শিশুর মনঃবৈকল্যে আক্রান্ত হবার আগে আওয়াজ তুলুন। শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় যে চাপ প্রত্যাশা করে বসে আছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সে চাপ তৈরিতে অংশ নিন।

লেখক: আবদুস সোবহান বাচ্চু,শিক্ষক ও সংগঠক।সেক্রেটারি জেনারেল, বরিশাল কিন্ডারগার্টেন ফোরাম।admin@nipobon.net


Designed & Developed by Tiger Cage Technology
উপরে যান