সাম্প্রদায়িক সহিংসতা: পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা

Sat, Jul 31, 2021 1:40 AM

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা: পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা

শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ:সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে একটি ষড়যন্ত্রকারী চক্র বিবিধ ধরনের নৃশংস আক্রমণ চালাচ্ছে। এ মিশন সফল করতে তারা মৌলবাদী একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা নিচ্ছে। কোণঠাসা হয়ে পড়া কয়েকটি রাজনৈতিক দলও এর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। গোটা মিশন সফল করতে আন্তর্জাতিক একটি চক্র নেপথ্যে থেকে এর কলকাঠি নাড়ছে। তারা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ওপর প্রতিটি হামলা ও খুনের ঘটনার সঙ্গে আইএসের সম্পৃক্ততা প্রমাণের চেষ্টা চালাচ্ছে। এর পেছনে তাদেরও বিশেষ 'স্বার্থ' রয়েছে বলে দাবি করছেন গোয়েন্দারা।

 

২০১৬ সালের ২৮ অক্টোবর ফেইসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার প্রতিবাদের নামে ৩০ অক্টোবর একদল উগ্রপন্থি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শতাধিক বাড়ি ঘরে হামলা-ভাঙচুর এবং লুটপাট করে। ভেঙে ফেলে প্রাচীন গৌরমন্দির, লোকনাথ মন্দির, কালী মন্দির, মহাদেব মন্দিরসহ অন্তত ১০টি মন্দির। এসময় নাসিরনগর গৌর মন্দিরের সেবায়েত শংকর সেন ব্রাক্ষচারী সহ হিন্দু পাড়ার অসংখ্য নারী-পুরুষকে বেধড়ক পেটানো হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পর হবিগঞ্জের মাধবপুর। এরপর সুনামগঞ্জের ছাতকে দুটি মন্দিরে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যা পৌনে ৬ টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতংক। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে অর্ধ-শতাধিক লোক লাঠিসোটা নিয়ে শ্লোগান দিতে দিতে শহরের মন্ডলীভোগস্থ কালীবাড়ীতে হামলা চালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর করে। তবে মূল ফটক বন্ধ থাকায় মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি তারা। পরে হামালাকারীরা পাশ্ববর্তী শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভূর আখড়ায়ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় হামলাকারীরা আশপাশের কয়েকটি বসতঘরেও হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতার ঘটনায় রাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পক্ষে কাজল দত্ত এবং নির্মল চৌধুরী বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। ২ মামলায় অজ্ঞাত ১২’শ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নাসিরনগর থানা পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতারকৃতদের নাম পরিচয় জানাতে রাজি হয়নি পুলিশ।

 

ডিসি পদমর্যাদার একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, বিগত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্নস্থানে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত এ ধরনের যে কয়টি হামলা ও খুনের ঘটনা ঘটেছে; প্রতিটি ঘটনার পরই একটি মহল এর সঙ্গে ইসলামিক এস্টেট আইএস'র সম্পৃক্ততা প্রমাণ করার প্রাণান্ত চেষ্টা চালিয়েছে। অথচ এসব ঘটনা তদন্ত শেষে ওই জঙ্গি সংগঠনের জড়িত থাকার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি দেশে আইএস'র কোনো অস্তিত্ব মেলেনি। গোয়েন্দা ওই কর্মকর্তার ভাষ্য, 'এ থেকেই বোঝা যায়_ সাম্প্রদায়িক খুন-হামলা বিশেষ মহলের পরিকল্পিত নীল নকশা।'

 

বগুড়ার শিয়া মসজিদ ও দিনাজপুরের ইসকন মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলা এবং কথিত পীর, মসজিদের মুয়াজ্জিন, খ্রিস্টধর্ম প্রচারক ও পুরোহিত খুনের প্রতিটি ঘটনাই অভিন্ন ছকে গাঁথা। একই গোষ্ঠী এসব ঘটনার নেপথ্য পরিকল্পনাকারী ও অর্থের জোগানদাতা। এসব মিশনে অংশগ্রহণকারীরাও একই গ্রুপের সদস্য। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত ডজনখানেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ধর্মীয় নেতা খুনের ঘটনা তদন্ত করে গোয়েন্দারা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন। যদিও বহুল আলোচিত পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে পুরোহিত খুনের ঘটনার কোনো ক্লু এখনো পাওয়া যায়নি। তবে, হত্যার ধরণ পর্যালোচনায় এটিকেও ওই একই ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

 

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সাম্প্রদায়িক হামলা বিভৎস তান্ডবের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পায় ২০১৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে। ওই দিন চট্টগ্রামে কথিত ল্যাংটা ফকির রহমতউল্লা ও তার খাদেমকে জবাই করে খুন করে দুর্বৃত্তরা। এর ঠিক এক মাস পর অর্থাৎ ৪ অক্টোবর ঈশ্বরদীতে খ্রিষ্টান যাজক লুক সরকারকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা ও পরদিন ঢাকায় খিজির খানকে তার খানকায় জবাই করে হত্যা করা হয়। ২৩ অক্টোবর আশুরার রাতে ঢাকায় শিয়াদের তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে হোসেনি দালানে বোমা হামলা করে দুর্বৃত্তরা। ১৮ নভেম্বর দিনাজপুরে ইতালীয় ধর্মযাজক পিয়েরো পিচমকে গুলি করে। ১২ নভেম্বর সৈয়দপুরে প্রতীকী কারবালায় শিয়া সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তিকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এর আগে ১০ নভেম্বর রংপুরের কাউনিয়ায় এক মাজারের খাদেমকে খুন হন। ২৬ নভেম্বর অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা বগুড়ার শিয়া মসজিদে গুলি চালালে মসজিদের মুয়াজ্জিন নিহত এবং আরো তিনজন আহত হন। ১০ ডিসেম্বর দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ ডহচি গ্রামে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) মন্দিরে হামলা চালিয়ে দুর্বৃত্তরা গুলি ও বোমার আঘাতে দুজনকে আহত করে। এর মাত্র পাঁচদিন আগে ৫ ডিসেম্বর কাহারোলে কান্তজিউ মন্দিরে রাসমেলায় দুর্বৃত্তরা বোমা হামলা চালালে ১০ জন আহত হন।

 

এসব বিষয়ে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান সাংবাদিকদের বলেছেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় সমপ্রীতি নষ্ট করতেই এমন অপতৎপরতা চলছে। এর সঙ্গে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট। বিশেষ করে স্বাধীনতাযুদ্ধে পরাজিত শক্তিই এসব অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তারা বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত করে সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপে রাখার ফন্দি এঁটেছে। এ ছাড়াও মৌলবাদী জঙ্গি কিংবা ষড়যন্ত্রকারী চক্র ধর্মীয় উপাসনালয়ে যাতে আকস্মিক হামলা চালাতে না পারে এজন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মাজার এবং গির্জা ও মন্দিরসহ সব ধরনের ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জনগণকে সচেতন ও সতর্ক করারও তাগিদ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রশ্ন হচ্ছে, প্রশাসন সর্তক থাকার পরও কেন এবং কীভাবে এসব হামলা হয় বা হচ্ছে?

 

২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর পাবনার সাঁথিয়ায় হিন্দু সমাজের মানুষের ঘরবাড়ি ও মন্দিরে হামলা যেমন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আত্মবিশ্বাসে ফাটল, তেমনি তা বাংলাদেশের জনগণের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যেও আঘাত। এর ঠিক আগের বছর অর্থাৎ ২০১২ সালে রামুর বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধপল্লিতে পরিকল্পিতভাবে হামলার ছক প্রায় হুবহু সাঁথিয়া বাজারেও দেখা গেছে। যথারীতি ফেসবুকে মহানবী (সা.)-এর নামে আপত্তিকর মন্তব্য ও কার্টুন প্রকাশের গুজব রটিয়ে একদল মানুষকে উত্তেজিত করে আরেক দল মানুষকে ভীতসন্ত্রস্ত করা হয়েছিলো। সকাল ১০টায় গুজব রটল, ১১টায় বিলি করা হলো কথিত ফেসবুক পেজের ছবির ফটোকপি। তারও এক ঘণ্টা পরে শুরু হলো হিন্দু বসতি ও মন্দিরে হামলা-ভাঙচুর।

 

সাঁথিয়া পাবনা জেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজার এবং মহাসড়কের ওপর অবস্থিত। সেখানে সার্বক্ষণিক পুলিশ থাকার কথা। ঘটনার সূত্রপাত সকাল ১০টায় হলেও পুলিশের হস্তক্ষেপ ঘটতে কেন সাড়ে তিন ঘণ্টা লাগল? জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ভূমিকা তাই প্রশ্নবিদ্ধ। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের পাবনা জেলা শাখার সভাপতি চন্দন কুমার চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যমকে তাৎক্ষণিকভাবে বলেছিলেন, ‘এটি একটি ষড়যন্ত্র বলে আমাদের ধারণা।’

 

রামুর ঘটনায় প্রকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতি দেখা গেছে, পুলিশের দায়িত্বহীনতারও শাস্তি হয়নি। সাক্ষী না পাওয়ার অজুহাতে আসামিরাও ছাড়া পেয়েছেন। রামুর বেলায় যদি ন্যায়বিচার হতো, তাহলে সাঁথিয়ার ঘটনা হয়তো ঘটতে পারত না।

 

বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে সাম্প্রদায়িক হামলা হয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেও তাই। এসব হামলা এখনো থেমে নেই। সংখ্যালঘুদের জমি দখল, মন্দির-পূজামণ্ডপে হামলা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির মাধ্যমে প্রতিটি সাম্প্র্রদায়িক হামলার ঘটনায় দায়ীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনলে এ রকম হামলা বন্ধ হবে বলে বিশেষজ্ঞরা দাবী করছেন। আর এ জন্য সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। রামু সহিংসতার ৪ বছর পূর্তিতে গত ৭ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাম্প্রদায়িক সহিংসতাগুলোর বিশ্লেষণে আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারের পাশাপাশি মানবাধিকার সংগঠন গুলোর সততা এবং জোরালো কর্মকান্ড পরিচালনার আহ্বান জানানো হয় উক্ত আলোচনা সভায়।

 

একাধিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রামুর ঘটনায় এখনো বিচার শেষ না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে হতাশা নেমে এসেছে। রামুর মন্দিরে আগুন দেয়ায় ধর্মের ক্ষতি হয়নি। সমস্যা হয়েছে সহাবস্থানে, বিশ্বাসে। রাজনীতি এই ঘটনার পেছনে প্রথম থেকেই হাওয়া দিয়েছে। ফলে কারো দায়বদ্ধতাই নিশ্চিত করা যায়নি। যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ রকম হামলার খবর জেনেও রবীন্দ্রসংগীত গাওয়ায় ব্যস্ত ছিলেন তাঁকে কোনো জবাবদিহি করতে হয়নি। তিনি উল্টো পদোন্নতি পেয়েছেন। যে জেলা প্রশাসক হামলার কথা শুনেও বিদায় সংবর্ধনা বন্ধ করে ঘটনাস্থলে ছুটে যাননি তাকেও জবাবদিহি করতে হয়নি। তখনকার পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যেসব সদস্য নির্ধারিত কর্ম সম্পাদনে ব্যর্থ হলেন তাদের কোনো জবাবদিহি করতে হয়নি।

 

অপরদিকে, ইউপি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৫৬৫টি সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে। এমন দাবি করেছে, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। দেশের কয়েকটি জেলায় নির্যাতনের শিকার হওয়া হিন্দুরা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও দাবি করা হয়, সংগঠনের পক্ষ থেকে। সম্প্রত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, যশোরের পাশাপোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহীনের অত্যাচারে এরই মধ্যে ৩০টি হিন্দু পরিবার দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালে যশোরের মালোপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ী আনোয়ার হোসেনের ভাই বাবুল আক্তার বর্তমান সরকারের অতিশয় ঘনিষ্ঠ হ‌ওয়ায়, তিনি বরাবরই বিভিন্ন তান্ডব চালিয়েছেন!

 

আজকের ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে সবার হাতেই রয়েছে যোগাযোগের অবাধ সুযোগ। ফেসবুক, অনলাইন মাধ্যম, মোবাইল ফোন, ক্যামেরাসহ যেকোনো প্রযুক্তিকেই নিমেষে গণবিদ্বেষের হাতিয়ার বানানো সম্ভব এবং অনেক অর্বাচীন ও সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি তা করেও থাকে। এ রকম নাজুক বাস্তবতায় সবাইকে সংযমী ও ধৈর্যশীল হওয়া বাঞ্চনীয়। এসব ঘটনার বিচার আদৌ শেষ হবে কি না তা নিয়ে সংশয় এবং সন্দেহ অবশ্যই রয়েছে। বিশেষত রামু-উখিয়ার ঘটনার সঠিক বিচার না হওয়ায় সাম্প্রদায়িক হামলার আশঙ্কা রয়েই গেছে। তবুও আমরা আশা করতে চাই। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, যারাই এই বিবাদের সৃষ্টি করুক না কেন, তারা ধর্ম, দেশ ও জাতির শত্রু। যে কোন ধরণের অন্যায় এবং সহিংসতার বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান। আমাদের এই অবস্থান আরও দৃঢ় হোক। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট থাকুক। দেশ হোক অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের প্রতীক, সেটাই প্রত্যাশা।।

 

শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ: সিনিয়র সাংবাদিক।।


Designed & Developed by Tiger Cage Technology
উপরে যান