বাংলাদেশে সম্পাদকের মর্যাদা আশংকা জনক ভাবে কমছে

Wed, Oct 21, 2020 4:51 PM

বাংলাদেশে সম্পাদকের মর্যাদা আশংকা জনক ভাবে কমছে

নাঈমুল ইসলাম খান: [১] আমি এমনই সম্পাদক যিনি সংবাদপত্রকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আয় রোজগার করেন। এমন কেউ কেউ করেন, কিন্তু মর্যাদা হারায় সকলে।

[২] বাংলাদেশে সম্পাদক চাঁদাবাজি করি, অসম্মানের কালো ছায়া পরে সকল সম্পাদকের ওপর।

[৩] বাংলাদেশের আমি একজন সম্পাদক বিভিন্ন ব্যবসায়ীর পক্ষে তদবির করি মন্ত্রী সচীবের কাছে। মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হয় গোটা সম্পাদক সমাজের।

[৪] বাংলাদেশে আমি সম্পাদক নিজে এবং আমার সাংবাদিকদের দিয়ে ব্ল্যাকমেইলিং করে অর্থ উপার্জন করি। সম্পাদক হিসেবে আমাদের সকলের মাথা হেট হয়ে যায়।

[৫] আমার মতো কিছু সম্পাদক/সাংবাদিক মানুষ বা প্রতিষ্ঠানের চরিত্রহননে লিপ্ত হন, ভুক্তভোগীর কাছে অপরাধী হন নির্বিচারে সব সম্পাদক/সাংবাদিক।

[৬] বাংলাদেশে আমার মতো এমন সম্পাদকও আছেন যিনি এবং যার সাংবাদিকরা ইংরেজিতেও এক ঘন্টা বলতে পারবেন না, লিখতেও পারবেন না এক পৃষ্ঠার ইংরেজি কিন্তু তারা জাতীয় ইংরেজি দৈনিক প্রকাশ করেন এবং সরকারের মিডিয়া লিস্টে উচ্চ স্থান পেয়ে যান। গোটা সংবাদপত্র শিল্পের জন্যই এটা লজ্জাজনক।

[৭] টেলিভিশন কিংবা সংবাদপত্রে আমি এবং আমার মতোই সম্পাদক, এই সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে বিদেশি দূতাবাস দেশের মন্ত্রী কিংবা সচিবের ঘরে প্রবেশ করে সাংবাদিকতা বা সংবাদপত্র নিয়ে কোনো আলোচনায় বা আবদার জানাই না। তোষামদি আর গাল-গল্পের ফাঁকে নিজের ব্যক্তিগত বা বেনামী বাণিজ্য বা অন্যের ব্যবসা আদায়ের জন্য তদবির করেন। এভাবে সম্পাদকের সম্মান থাকে কী?

[৮] সম্মানের জন্য দামি বাড়ি, গাড়ি, অফিস পাইক-পেয়াদা প্রয়োজন হয় না। অনেকের জানাশোনা যোগাযোগ, অনেকের খাতির, অনেকের আনুগত্যকে সম্মান বলে না। অনৈতিক সমর্থন সম্মান পরিপন্থী। আবার অনেকের অপছন্দ হওয়া মানেও অসম্মান নয়।

এই প্রতিবেদনের অনুলেখক: ফাহমিদা তিশা

লেখকের ফেসবুক পোষ্ট


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
Designed & Developed by Tiger Cage Technology
উপরে যান