ডায়ানাকে এভাবে মরতে হলো কেন?

Tue, Jan 7, 2020 12:20 AM

ডায়ানাকে এভাবে মরতে হলো কেন?

নতুনদেশ ডটকম: ব্রাম্পটনের চেরিক্রেষ্ট ড্রাইভ সংলগ্ন কুইনস্ স্ট্রিট ধরে পূব দিকে এর  আগে কতোগুলো গাড়ি গেছে কেউ জানে না।   যিনি থামালেন, তিনি গাড়ি থামিয়েই দেখতে পান রাস্তার ওপর পরে আছে একজন মানুষ, তরুনী। দ্রুত ৯১১ কল করেন তিনি। অ্যাম্বুলেন্স আসে,মেয়েটির অবস্থা দেখে তাকে দ্রুত নিয়ে যা্ওয়া হয় টরন্টোর সানিব্রুক হাসপাতালে। সেখানে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে ১৬ বছরের এই তরুনী।

 মেয়েটিকে যখন উদ্ধার করা হয় তখন রাত ১২.২০। জায়গাটা ঘন বসতির আবাসিক এলাকা। তবু  কতোক্ষণ রাস্তার ওপর পরেছিলো মেয়েটি? কেউ কি তাকে গাড়ি থেকে ফেলে দিয়েছিলো ?  না কি রাস্তা পার হতে গিয়ে কি ধাক্কা খেয়েছে কোনো গাড়ির সাথে? এই সব প্রশ্নের উত্তর পা্ওয়া যায় নি এখন পর্যন্ত। পুলিশ শুধু বলেছে, যে গাড়িটি তাকে ধাক্কা দিয়েছিলো, সেই গাড়িটিকে এবং তার চালককে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে তারা।  

 মেয়েটি কতোক্ষণ রাস্তায় পরেছিলো মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে? একটি গাড়িও কি সেখানে থামতে পারতো না? ৯১১ বা পুলিশ ডাকতে পারতো না? তা হলে কি বেঁচে যেতো মেয়েটি?

ডায়না  ম্যানন নামের এই মেয়েটিকে ব্রাম্পটনের কুইন্স স্ট্রিট থেকে উদ্ধার করা হয় রোববার রাত ১২.২০ মিনিটে। হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

’পশুও তো এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করে, এর চেয়ে ভালো ব্যবহার পায়,আমার মেয়েকে এভাবে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলা হবে, রাস্তায় পরে থেকে থেকে যন্ত্রণায় সে মরে যাবে – এর চেয়ে ভালো কিছু কি আমার মেয়ের হতে পারতো না?-ডায়নার  মা এই প্রশ্নগুলো করেছে সোমবার সিটিভিকে দেয়া সাক্ষাতকারে।

গত সেপ্টেম্বরে  দাদীর সঙ্গে থাকতে  টরন্টো আসার আগে অরোরা হাই স্কুলের ইলেভেন  গ্রেডে পড়তো  ডায়না। ‘ কিন্তু ও ব্রাম্পটনে গেলো কি ভাবে?- মায়ের এই প্রশ্নেরও কোনো জবাব পা্ওয়া যায় নি।

৪ জানুয়ারি তার বন্ধুরা তাকে টরন্টোর দাদীর বাসা থেকে নিয়ে এসেছিলো। তার পর আর দিয়ানা বাড়ী ফিরে নি। রোববার (৫ জানুয়ারি)  রাতে তাকে রাস্তায় আহত অবস্থায় পরে থাকতে দেখা যায়।

পুলিশ বলছে, কাদের সাথে ডায়না বেরিয়েছিলো, মৃত্যুর আগের পুরো একদিনে কোথায় কার সাথে গিয়েছে- সেগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে তারা। পুরিশের ভাষ্য, তবে এখন পর্যন্ত তাদের ধারনা- এটি হিট অ্যান্ড  রান, রাস্তা পার হ্ওয়ার সময় কোনো গাড়ি ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে গেছে।


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
Designed & Developed by Tiger Cage Technology
উপরে যান