জোবাইদার বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ

Sat, Apr 28, 2018 5:18 PM

জোবাইদার বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ

নতুনদেশ ডটকম:  ক্ষমতার পরিবর্তন না হলে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমানের বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। স্বামীর সাথে তিনিও যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। ফলে তারেকের মতোই তারও দেশে ফেরার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।  ঢাকার দৈনিক প্রথম আলোর এক রিপোর্টে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

পত্রিকাটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, কারাগারে বিএনপি চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে বিএনপি নেতাদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে এমন খবরও প্রকাশ পায়, জোবাইদা দেশে ফিরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন। তাঁরই পরামর্শে পরবর্তী চিকিৎসা কী হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

চিকিৎসক হিসেবে খালেদা জিয়াকে দেখতে আসছেন—সাম্প্রতিক সময়ে এমন আলোচনা হলেও জোবাইদাকে নিয়ে বিএনপির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা আছে। তারেকের অনুপস্থিতি এবং খালেদা জিয়াকে সহায়তা করতে তিনি দেশে এসে রাজনীতিতে ঢুকবেন—এমন আলোচনা বহু বছর ধরেই চলছে। কিন্তু তারেকের পাসপোর্ট বিতর্কের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের একটি চিঠি বিএনপির সেই ভাবনাকে ফিকে করে তুলেছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী তারেক রহমানের পাশাপাশি জোবাইদা রহমান ও তাঁদের একমাত্র মেয়েও যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরে পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন, যা এখন ব্রিটেনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জমা আছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ বলেন, যেকোনো দেশে যে–কেউ রাজনৈতিক আশ্রয় নিলে সে দেশের সরকারের কাছে পাসপোর্ট দিতে হয়। ব্রিটেনে তারেক রহমান, তাঁর পরিবার রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন—এটি সবাই জানেন। তিনি বলেন, ‘যদি জোবাইদা রহমান ইচ্ছা করেন, যদি তিনি অ্যাপ্লাই (আবেদন) করেন হোম মিনিস্ট্রিতে যে আমার যাওয়ার ব্যাপারে কোনো ভয়ের সম্ভাবনা নেই বা আমি দেশে গেলে নিপীড়নের শিকার হব না কিংবা নিরাপদ বোধ করছি, তৎক্ষণাৎ তাঁকে পাসপোর্ট ফেরত দিয়ে দেবে।’ জোবাইদা রহমান দেশে ফিরে আসবেন কি না এবং রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন কি না, এ বিষয়ে তাঁর ধারণা নেই বলে জানান মোশাররফ হোসেন।

জোবাইদা রহমানের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া এবং রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়ার ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি মনে করি, পরিবারের মধ্যে রাজনীতি থাকতে হবে এটা পুরোনো চিন্তাভাবনা, এটি প্রাচীন যুগের কথা। একটি গণতান্ত্রিক এবং প্রগ্রেসিভ সোসাইটিতে বা ওয়েস্টার্ন কান্ট্রিতে এগুলো থাকে না। আমি মনে করি না জোবাইদা রহমান ফিরতে না পারলে সমস্যা হবে। এ নিয়ে পার্টির মধ্যে কোনো চিন্তা করাও ভুল। কারণ, তাহলে একটি দেউলিয়াপনা চলে আসে।’

এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি জানি না জোবাইদা রহমান কী চান। অনেক কিছুই এখন ডিপেন্ড (নির্ভর) করে। জোবাইদা রহমানের পাসপোর্ট তো তাঁর হাতে নেই। এটি ভবিষ্যৎই বলে দেবে।’

বিস্তারিত পড়ুন: এইখানে


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
Designed & Developed by Tiger Cage Technology
উপরে যান