নিউইয়র্কে আইনজীবী পরিচয়ে আশ্রয় প্রার্থীদের সাথে প্রতারণা

Sat, Apr 14, 2018 12:31 AM

নিউইয়র্কে আইনজীবী পরিচয়ে আশ্রয় প্রার্থীদের  সাথে প্রতারণা

সোহেল মাহমুদ: নিউ ইয়র্কে আশ্রয়প্রার্থনা (এসাইলাম) আবেদনকারীদের অনেকেই প্রতারণা আর ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার। কারো কারোর "আইনজীবী" কয়েক হাজার ডলার হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা। এমনও পেয়েছি, নিজেসহ পরিবারের চার সদস্যের জন্য ৩৫ হাজার ডলার দিয়েছেন আইনজীবীকে। কিন্তু, কাজের কিছুই হয়নি। উল্টো আইনজীবী এখন তাদের বলছেন নিউ ইয়র্ক থেকে পালিয়ে যেতে।

"ঝামেলা হবে" মনে করে কেউই বিচার চাইছেন না। এর ফলে, "আইনজীবী" পরিচয়ে একদল প্রতারক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিউ ইয়র্কে। এরা আসলে মধ্যস্থতাকারী কিংবা দালাল। এদের নেটওয়ার্ক খুব বিস্তৃত এবং শক্ত।

এতোসব প্রতারণার ঘটনা নিয়ে কেউই ভুক্তভোগীকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসতে না পারার কারণ তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে নারাজ। অথচ, নিজের ভবিষ্যৎ এমনিতে অনিশ্চিত হয়ে আছে।

সবচেয়ে জঘন্য কাজটি করছেন "আইনজীবী" পরিচয়ের কিছু লোক, যারা আবেদনকারীকে তার আবেদনে কিভাবে লেখা হয়েছে সেটা জানতে দেন না। এ সংক্রান্ত কোন কাগজপত্রও দেয়া হয় না তাকে। ফলে, পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য দিনের পর দিন এই "আইনজীবী"র পেছনে ঘুরে ব্যর্থ হয়ে অন্য আইনজীবীর দ্বারস্ত হন আবেদনকারী। সে প্রক্রিয়ায়ও বিড়ম্বনা কম নয়। সময় আর অর্থ দু'টোর অপচয়।

আশ্রয়প্রার্থনা আবেদন করতে আইনজীবীর প্রয়োজন নেই। এমনকি, ইমিগ্রেশনে সাক্ষাৎকারের ডাক পেলে সেখানেও আইনজীবীর প্রয়োজন নেই। ভাষা না বুঝলে একজন ভাষান্তরকারী (ইন্টারপ্রেটার) হলে চলে। আশ্রয়প্রার্থনার নিয়ম সম্প্রতি পাল্টানো হয়েছে। আইনজীবীরা বলছেন, তিন সপ্তাহের মধ্যে আবেদনের সিদ্ধান্ত দিয়ে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে আবেদন করলে হীতে বিপরীত হতে পারে।

লেখকের ফেসবুক পোষ্ট


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
Designed & Developed by Tiger Cage Technology
উপরে যান