লন্ডনকাণ্ড দায় কার ?

Sun, Feb 11, 2018 9:22 AM

লন্ডনকাণ্ড দায় কার ?

মিলটন রহমান : লন্ডনকাণ্ড দায় কার ?লন্ডনের বাংলাদেশ হাই কমিশনে বিএনপি কর্মীদের হামলার খবর এখন সমালোচনার তুঙ্গে। দল-মত নির্বিশেষে সকলেই এই ঘটনার নিন্দা জ্ঞাপন করছেন। লন্ডনে তথা পুরো ব্রিটেনে বসবাসকারী বাঙালীরা অনেকটা হতবাক! নিজেদের মিশনে নিজেরাই হামলা চালালো? বিএনপি’র যেসব নেতা-কর্মী সেদিন হাই কমিশনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলো তারা একবারও কি ভেবে দেখেছেন কি ঘটতে যাচ্ছে? হয়তোবা হ্যাঁ হয়তোবা না।

কারণ আমাদের রাজনীতির মাঠে এখন বোধহীন মানুষের সংখ্যাই বেশি। গাধার পিঠে একটি বস্তা চাপিয়ে দিলে সে শুধু একমুখিই হাঁটতেই থাকে। সে আর কোনো পথের কথা ভাবে না। পিঠে কী চাপিয়ে দিলো তাও ভেবে দেখে না। আমাদের (অপ)রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের দশা ওই গাধাটির চেয়ে কোনো ব্যতিক্রম নয়। লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশন কোনো রাজনৈতিক দলের নয়। এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের। এখানে যারা দায়িত্ব পালন করেন তারা সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারী। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের নন। না আওয়ামী লীগ, না বিএনপি বা অন্য কোনো দলের। তারা যে মিশনটি পরিচালনা করে সেটি বিলেতে বসবাসরত সকল বাঙালির কল্যাণে।

সুবিধাভূগী এই জনগোষ্ঠির মানুষরা বিভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাস করে। তাই বলে হাই কমিশন রাজনৈতিক চিন্তা লালন করে তো সেবা দেয় না। এই প্রতিষ্ঠান সকলের জন্য সেবা দিয়ে থাকে। সেই সঙ্গে ব্রিটেন ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে অন্যতম ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে সেদিনের হামলার ঘটনায় ব্রিটেন সরকারও বিস্মিত হয়েছে। কোনো শত্রু নয় নিজেরাই নিজেদের মিশনে হামলা চালিয়েছে! এই হামলা পুরো বিশ্বের কাছে বাঙালিকে নির্বোধের কাতারে নামিয়ে এনেছে। অথচ এই ঘটনা ঘটিয়েছে মাত্র কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটিবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় হবে। তার প্রতিবাদে সমাবেশ হতেই পারে। সেই সমাবেশ থেকে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা বাতিলের দাবিতে লিখিত দাবিও জানানো যেতে পারে।  কিন্তু এভাবে হামলা চালানো এবং রীতিমত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ছবি রাস্তায় এনে জনসম্মুখে পায়ের জুতো দিয়ে...। ওই হামলাকারীরা কি জানে বঙ্গবন্ধু কে?

আজকে যে মিশনের সামনে দাঁড়িয়ে এই তাণ্ডব চালাচ্ছে এর নাম ‘বাংলাদেশ হাই কমিশন’ হলো কি করে? কারণ শেখ মুজিবুর রহমান নামে একজন মহান পুরুষ ‘বাংলাদেশ’ নামটি আমাদের এনে দিয়েছিলেন বলে। যারা এই তাণ্ডব চালিয়েছে তারা তো প্রকারান্তরে নিজের পিতাকেই অপদস্ত করেছে। সন্তান অসৎ হলে পাড়া-প্রতিবেশি ওই সন্তানকে নানান খিস্তি-খেউড়ে ডাকে। যারা নিজের পিতাকে অপমান করে, যারা নিজের দেশের স্থপতিকে লাঞ্ছিত করে তাদেরকে দেশবাসী খারাপ কোনো খেউড়ে ডাকছেন বলেই আমার বিশ্বাস।

পঁচাত্তর সালের পনের আগস্ট ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর এমন তাণ্ডবই চালানো হয়েছিলো লন্ডন হাই কমিশনে। ওই হত্যার সঙ্গে পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা জড়িত ছিলো। সেদিন সব জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলতে উদ্যত হয়েছিলো ওই হায়েনারা। কিন্তু পেরেছিলো কি? পারেনি। কারণ ইতিহাসে যে নাম একবার লেখা হয়ে গেছে তাকে মুছে কার সাধ্য! বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন ভূখণ্ড যিনি নির্মাণ করে দিয়েছেন তা তিনি না থাকলে সম্ভব ছিলো না।

বঙ্গবন্ধুর আগে কিংবা তাঁর সময়ের অনেক নেতা ছিলেন, কই তারা তো কেউ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হুংকার দিতে পারেননি। শেখ মুজিবুর রহমান সেই সাহসী মহাবিপ্লবী, যিনি পাকিস্তানের শোষণের বিরুদ্ধে বুক টান টান করে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর সেই অদম্য সাহস এনে দিয়েছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা। তাঁর এনে দেয়া সেই স্বাধীন দেশের নামে আমরা পুরো বিশ্বে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরি। তাহলে কেনো স্বাধীন বাংলার এই স্থপতির ছবি ভেঙে এমন নারকীয় তাণ্ডব। তাহলে কি পঁচাত্তরের সেই প্রেতাত্মারাই আবার সক্রিয় হলো? পঁচাত্তরের পর বহু আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে। সব আন্দোলন সংগ্রামেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নিজেদের দাবি এই হাই কমিশনের মাধ্যমে সরকারকে জানিয়েছে। কিন্তু কোনো দল বা গোষ্ঠি এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটায়নি।

বিএনপির যে নেতাকর্মীরা সেদিন হাই কমিশনে হামলা চালালো তারা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। কেউ কেউ ব্রিটিশ পাসপোর্ট ধারণ করলেও বাংলাদেশের বিএনপি রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তারা একবারও কি ভেবে দেখেছে, যে দেশের রাজনীতি তারা বিশ্বাস করে সেই দেশের নাম বাংলাদেশ। আর এই দেশটি এনে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর সেই মানুষটির ছবি নিয়েই তারা তাণ্ডব চালালো! একটি রাজনৈতিক দল বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বেড়ে উঠেছে, তা সত্য। কিন্তু যারা সেদিন তাঁর ছবি নিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছিলো তারা কি জানে রাজনীতির বাইরেও বিশাল একটি জনগোষ্ঠি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে। সেই মানুষগুলো কৃষক-মজুর, জেলে-মাঝি, পেশাজীবি-ব্যবসায়ী, তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। তারা আমার-আমাদের মত সাধারণ মানুষ।

এই হিসেব করলে দেখা যায় বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ সরাসরি কোন রাজনৈতিক দলে বিশ্বাসী না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর প্রতি রয়েছে তাদের অগাধ শ্রদ্ধা। বঙ্গবন্ধুকে এখন কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের ভাবলে চলবে না। এমনকি অনেক রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী আছে যারা আওয়ামী রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়, কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করেন। যে বিএনপি কর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে সেই দলটিতেও এমন রাজনীতিকের সংখ্যা একেবারে কম নয়। তারেক রহমান কান্ডজ্ঞানহীনভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক করলেও তারা জানেন বঙ্গবন্ধু সেই মহান ঘোষক। এই যে বিপুল জনগোষ্ঠির শ্রদ্ধার মহাপুরুষটির ছবি নিয়ে তাণ্ডব চালানো হলো, এর সঙ্গে সম্পৃক্তদের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্তে উপনীতি হওয়া উচিত তা নিশ্চয় ভেবে দেখবে সরকার।

বিলেতে স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য এখন রাজনীতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। জামায়াত-বিএনপির অনেক কর্মী রয়েছে যারা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে লন্ডনে বিভিন্ন রাজনৈতিক নাশকতা সৃষ্টি করে এসাইলাম আবেদন করেছে এবং করছে। ফলে আগামীতে এ ধরনের আরো ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে কমিউনিটি এবং হাই কমিশনের সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত।

আবার লন্ডনের বাংলাদেশ হাই কমিশনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলার ঘটনাটি ভিন্ন চোখে দেখার সুযোগ রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের শুনানির প্রতিবাদে বিএনপি হাই কমিশনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ পূর্ব ঘোষণা দিয়েই করেছে। সে হিসেবে হাই কমিশনের উচিত ছিলো অতিরিক্ত পুলিশি সাহায়তা চাওয়াসহ বিএনপি কর্মীদের ভীড় অদূরে আটকে দেয়ার ব্যবস্থা করা। বিএনপি তাণ্ডব চালানোর সময় দেখা গেছে মাত্র ক’জন পুলিশ মূল ফটকে দাঁড়ানো ছিলো। তাদের ফাঁক গলে কয়েকজন বিএনপি কর্মী ভিতরে প্রবেশ করে উপরে টানানো বঙ্গবন্ধুর ছবিটি বের করে বাইরে নিয়ে এসে তাণ্ডব চালায়।

হাই কমিশন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করার কারণেই এ নাশকতা চালানোর সুযোগ পেয়েছে বিএনপি। নিরাপত্তা বিষয়ে মিশন উদাসীন না হলে পুরো দেশকে এমন একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনার মুখোমুখি হতে হতো না। লন্ডন হাই কমিশনের কার্যক্রমের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠেছে। তারেক রহমানের পাসপোর্ট নবায়ন, একজনের পাসপোর্ট আরেকজনের নামে ইস্যু করা এধরনের কিছু ঘটনা ঘটেছে। এ মিশনে বাংলাদেশ এবং এর স্বাধীনতার প্রশ্নে নানান অসঙ্গতি ব্যক্তিগতভাবে আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

এক. প্রতি বছর ডিসেম্বর এলেই ব্রিটেন-বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে পালিত হয় ‘বিজয়ফুল কর্মসূচি’। এ কর্মসূচির মাধ্যমে মূলত নতুন প্রজন্মকে জানানো হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা। এ কর্মসূচি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবগত আছেন। আমি যতদূর জানি ২০০৭ সাল থেকে প্রতি বছর হাই কমিশনার ৩০ নভেম্বর লন্ডন সময় সন্ধ্যে ছয়টা এক মিনিটে আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনার চত্বরে কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন। এ রীতি সাইদুর রহমান থেকে মিজারুল কায়েস পর্যন্ত বলবৎ ছিলো।

এরপর যিনি ছিলেন এবং বর্তমানে যিনি রয়েছেন তাদের বেলায় দেখা গেছে এর ব্যতিক্রম। বর্তমান হাই কমিশনারকে গেলো নভেম্বরে বিজয়ফুল কর্মসূচির পক্ষ থেকে অফিসিয়াল ই-মেইল যোগে দুইবার আমন্ত্রণ পাঠানো হয়। সেই সঙ্গে ফোনেও হাই কমিশনার বা ডেপুটি হাই কমিশনার কিংবা হাই কমিশনের কোন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন কিনা জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়। বিস্ময়করভাবে সেই ই-মেইলের কোনো উত্তর পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয় বিজয়ফুল কর্মসূচি। এতে করে বিজয়ফুল কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত মুক্তিযোদ্ধারাও বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। ফলে প্রশ্ন থেকেই যায় নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত করতে যে আয়োজন, তাতে হাই কমিশনারের এতো অনাসক্তি কেনো?

দুই. বাংলা ভাষার প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল বাংলা টিভি প্রতি বছর সতেরো সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রসারে পিঠা মেলার আয়োজন করে। এতেও প্রধান অতিথি হিসেবে হাই কমিশনারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে দায়িত্বশীল এই পদ থেকে কোনো ধরনের ফিরতি ই-মেইল পায়নি বাংলা টিভি। পরে সে উৎসবে বাংলা সংস্কৃতির প্রসারে টাওয়ার হ্যামেটস কাউন্সিলের মেয়র (ইংরেজ) জন বিগস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন।

কিন্তু বাঙালী হাই কমিশনার উপস্থিত হওয়া তো দূরে থাক ই-মেইলের কোনো উত্তর দেওয়া থেকেও বিরত থাকেন। এক্ষেত্রে এমন একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির দায়িত্বের প্রতি আন্তরিকতার ঘাটতি প্রকটভাবে পরিলক্ষিত। প্রসঙ্গক্রমে এ দু’টি বিষয় উত্তাপন করলাম এজন্য যে, লন্ডনের বাংলাদেশ মিশনে স্বাধীনতা কিংবা বাংলাদেশ বিরোধী কোন অপচিন্তার বিষবৃক্ষ মাথা উঁচু করে থাকে তাহলে সঙ্কট অব্যহতই থাকবে। এ বিষয়ে সরকারের শুদ্ধি অভিযানের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি। 

এছাড়া বর্তমানে লন্ডনের বাংলাদেশ হাই কমিশন স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো থেকেও অনেকটা বিচ্ছিন্ন অবস্থান তৈরী করেছে। সম্প্রতি প্রেস মিনিস্টার ঢাকায় ফিরে যাওয়ার পর থেকে এ ক্ষেত্রে বিরাজ করছে শূন্যতা। প্রেস মিনিস্টার থাকাকালীন সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের খবর ঘুম থেকে জেগেই ই-মেইলে পেতাম। এখন সে সুযোগ নেই। বিএনপি যে তাণ্ডব চালিয়েছে তার খবর পাই সামাজিক মাধ্যমে।

হাই কমিশন থেকে ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমকে জানানো তো দূরে থাক এ বিষয়ে কোন বিবৃতিও দেয়নি। এতে করে লন্ডন হাই কমিশনের উদাসীনতা, দায়িত্বহীনতা আগামীতে আরো সঙ্কট তৈরী করবে এতে কোন সন্দেহ নেই। বিএনপি কর্মীরা কোনো অনুমতি ছাড়াই সদর দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধুর ছবি বাইরে নিয়ে যায় কিভাবে? নিরাপত্তার কারণে সদর দরজাটি সব সময় বন্ধ থাকে জানি। বিএনপি কর্মীরা যখন বিক্ষোভ করছিলো তখন কেনো সেই দরজা খোলা ছিলো, সে প্রশ্ন করাও অবান্তর নয়। আমি মনে করি এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা উচিত। শর্ষের মধ্যে যদি ভূত থাকে তাহলেতো সঙ্কটের শেকড় খোঁজা দূরূহ হবে।   

মিলটন রহমান : কবি, কথাসাহিত্যিক।

milton.rahman07@gmail.com

সূত্র: দৈনিক খোলা কাগজ


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
Designed & Developed by Tiger Cage Technology
উপরে যান