ধর্ম এবং স্পর্শকাতরতা

Wed, Dec 6, 2017 12:35 AM

ধর্ম এবং স্পর্শকাতরতা

ইমতিয়াজ মাহমুদ:  দেখবেন যে সেক্যুলার বা বাম বা লিবারেলরা সাধারণত দেশের সংখ্যালঘুদের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন হয়। সকল সংখ্যালঘু। ধর্মীয় সংখ্যালঘু বা এথনিক মাইনরিটি যেই হোক। এই চিত্র মোটামুটি সব দেশেই। এমনকি এলজিবিটি অধিকারের পক্ষেও বেশীরভাগ লেফট লিবারেল সেক্যুলাররা থাকে। এর কারণ হচ্ছে সংখ্যালঘুরা সাধারণত সংখ্যাগুরুদের হাতে নির্যাতিত হয়। নির্যাতনের মাত্রা কোথাও কম কোথাও বেশী, কোথাও দৃশ্যমান কোথাও নয়- কিন্তু নির্যাতন হয়ই। আর বাম কিংবা লিবারেল যারা আছে, এড়া তো নির্যাতিতের পক্ষে থাকবেই। এইজন্য দেখবেন যে বাংলাদেশে লেফট লিবারেলরা সাধারণভাবে হিন্দুদের প্রতি একটু সহানুভূতিসম্পন্ন আবার ভারতে একই মতে লোকেরা সেখানকার মুসলমানদের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন।

এই নিয়ে আবার একটু ইয়েও হয়। যে সেক্যুলার ব্যক্তিটি মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়েও নিজে কোন ধর্ম মানে না বা ধর্ম পালন করে না সেই লোকটিকেই আবার দেখা যায় যে হিন্দুদের পূজা উপলক্ষ্যে একটু উৎসব উৎসব মেজাজে লোকজনকে অভিনন্দন জানাচ্ছে বা পূজা মণ্ডপে যাচ্ছে। এটা ওরা করে পূজাকে ঈদের চেয়ে বেশী গ্রহণযোগ্য আচার মনে করে বলে নয়। ঐ যে নির্যাতিতের পক্ষে দাঁড়ানো, তারই একটা উপলক্ষ মাত্র। একইভাবে দেখবেন যে নিজে হয়তো স্ট্রেইট, কিন্তু ঠিকই এলজিবিটি আন্দোলনের পক্ষে দুই চারটা কথা বলে দেয় মাঝে মাঝেই।

না, সকল বাম বা লিবারেলরা বা সেক্যুলাররা যে এরকম করেন সেটা কিন্তু নয়। এটা আমি বললাম সাধারণ চিত্র। ব্যাতিক্রমও আছে।

যারা আবার প্রথা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বা প্রতিক্রিয়াশীল বা একটু রক্ষণশীল আছেন, এনারা আবার এইটা বুঝবেন না। কেননা এরা একটু প্যারোকিয়াল ধরনের হয়, এরা বুঝতেই পারে না যে আপনি একজনের বক্তব্যের কন্টেন্ট সমর্থন না করেও তার বক্তব্যের অধিকারকে সমর্থন করতে পারেন। এরা বুঝবে না যে আপনি একজনের ধর্মীয় বিশ্বাসকে ভুল জেনেও তার সেটা পালনের অধিকারের পক্ষে কথা বলতে পারেন। বা নিজে সমপ্রেমি না হয়েও সমকাম অপছন্দ করেও সমপ্রেমিদের অধিকারের কথা বলতে পারেন। এজন্যে দেখবেন যে এরা মাঝেই মাঝেই খোঁচা দিবে, 'অ, পূজা মণ্ডপে গেলে ধর্মনিরপেক্ষ আর ঈদের মাঠে গেলে সাম্প্রদায়িকতা!'। ভারতেও আমি দেখেছি, একই রকম খোঁচা দিচ্ছে টেলিভিশনে বা মাঠে বা ময়দানে, 'তোরা কি ধর্মনিরপেক্ষ? নাকি মুসলমান?'

(২) আর সংখ্যালঘুদের মধ্যেও অনেক সময় বিভ্রান্তি থাকে। ওরা অনেক সময় মনে করে যে ওদের বিশ্বাস বা ওদের কাজটি ঠিক মনে করেই কিনা এইসব শিক্ষিত শিক্ষিত জ্ঞানীগুণী লোকেরা ওদের প্রতি সমর্থন দিচ্ছেন। আমার মনে আছে আহমদিয়াদের বিরুদ্ধে যে অত্যাচার হয় তার প্রতিবাদে এক কর্মসূচীতে গিয়েছি একবার। বছর পনের আগের কথা সেটা। সেখানে আমাদের দেশের শীর্ষ আইনজীবীরা আছেন, পণ্ডিত ছিলেন কয়েকজন আর ছিলেন শিল্পীরা। স্থানীয় আহমদিয়া নেতারা ছিলেন আর পাকিস্তান থেকে কয়েকজন আহমদিয়া নেতা এসেছিলেন। আইনজীবী পণ্ডিত এরা সকলেই বক্তৃতা দিলেন, বক্তৃতা দিয়ে বললেন আহমদিয়াদের নিজেদের বিশ্বাস পালনের অধিকারের কথা।

উকিলরা বিশেষ করে আমাদের সংবিধানের কথা বললেন, যে এখানে সকল ধর্ম ও বিশ্বাস পালনের অধিকার সকলের আছে এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে সেই অধিকার রক্ষা করা। উত্তম কথা। কিন্তু আহমদিয়া নেতাদের একজন কি বুঝলেন জানিনা, পাকিস্তান থেকে এসেছেন লোকটা, সে তো বক্তৃতা দিতে উঠে দাঁড়িয়ে সকলকে ধানবাদ জানালেন তার ধর্মকে সমর্থন করার জন্যে, এটাই নাকি স্বাভাবিক কেরন শিক্ষিত মানুষ মাত্রই নাকি বুঝবেন যে মির্জা আহমেদ কাদিয়ানীর ইসলামি নাকি সঠিক ইসলাম- এরপর তিনি লেগে গেলেন তার ধর্মীটিই যে সঠিক ইসলাম সেই কথাটি ব্যাখ্যা করতে।

আমার পাশে কে ছিল সেদিন ভুলে গেছি। আমার বন্ধু মুস্তাফিজ সম্ভবত। তাকে আমি বলছিলাম, দেখো, সকল ধার্মিকরাই কম বেশী বুদ্ধিতে খাটো থাকে। আর যে যত বড় ধার্মিক তার খর্বতা ততো বেশী।

(৩) সংখ্যালঘুদের এই যে বিভ্রান্তি তার একটা ডাইমেনশন হচ্ছে, ওরা সংখ্যাগুরুর ধর্ম বা কৃষ্টি বা প্রথা প্রতিষ্ঠানের সমালোচনায় অংশ নেবেন ঠিকই, কিন্তু নিজেদের বিশ্বাস আচরণ বা প্রথা প্রতিষ্ঠান এইসব নিয়ে যদি কেউ সামান্য কিছুও বলে, ব্যাস, ওরা চীৎকার চ্যাঁচামেচি করে গুষ্ঠি উদ্ধার করে ফেলবে। অন্যভাবে বললে, সমালোচনা বা ব্যাঙ্গ রসিকতা সহ্য করার ক্ষমতা সবদেশেই সংখ্যালঘুদের একটি কম থাকে।

বিশেষ করে ধর্মের ক্ষেত্রে এমনটা হয়। দেখেবেন যে বাংলাদেশে আপনি মুসলমানদের ধর্মের সমালোচনা করেন তো বেশীরভাগ মুসলমানই সাধারণত অতো তীব্রভাবে আহত হয়না। কিন্তু বিলেতে বা ভারতে একজন মুসলমানকে যদি আপনি তার ধর্ম নিয়ে দুইটা স্বাভাবিক নির্বিষ ধরনের ঠাট্টাও করেন, দেখবেন ওরা কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়।হিন্দুদের ক্ষেত্রেও একই। ভারতে বা নেপালে আপনি দেবতাদের নিয়ে হাসি ঠাট্টা করলে সাধারণ মানুষজন অতোটা ইয়ে করে না। কিন্তু বাংলাদেশের একজন হিন্দু একই কৌতুকে অনেক বেশী আহত হয়।

এটা খুবই সাধারণ মাইনরিটি সাইকোলজি। সংখ্যালঘুরা সব দেশেই তার আত্মপরিচয়ের সাথে তার ধর্মীয় বিশ্বাস বা অন্য যেসকল ভিন্নতা তাকে সংখ্যালঘু করে সেইগুলি তার আত্মপরিচয়ের গুরুতর অংশ মনে করে। আর সংখ্যালঘুদেরকে যেহেতু প্রায় প্রতি পদে পদেই দেখিয়ে দেওয়া হয় যে সে এই সমাজে মাইনরিটি, ওর আত্মপরিচয়টি ওর জন্যে একটু বেশী সংবেদনশীল হয়, স্পর্শকাতর হয়। ফলাফল হচ্ছে এইটা- ওর ধর্ম বা ধর্মীয় আচরণ নিয়ে আপনি যখন একটা কিছু বলবেন, ওর মনে হবে যেন আপনি ওর আত্মপরিচয়ের উপর হামলা করেছেন।

ব্যাতিক্রম তো আছেই। সংখ্যাগুরুর সবাই যে উদার সহনশীল বা মোডারেট থাকে সেটা কিন্তু নয়। সংখ্যালঘুদের মধ্যেও কিছু উগ্রবাদী থাকে। এরাও কম না। বাংলাদেশেও আছে ইন্ডিয়াতেও আছে, সবখানেই আছে। এদের কথা আলাদা। সবখানেই এদেরকে পাবেন। এরা এদের ধর্ম ও ঈশ্বরকে অপমানের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যে মানুষ মারে। কি বিচিত্র। যে ঈশ্বর তোমাকে রক্ষা করার কথা, উল্টো তাকে রক্ষা করতেই তোমাকে মানুষ মারতে হয়া! এরা সবখানে আছে। বাংলাদেশেও এরা সেক্যুলার লিবারেলদের হত্যা করে, ইন্ডিয়াতেও ওরা সেক্যুলার লিবারেলদেরকে হত্যা করে।

(৪) যে কথাটা বলার জন্যে এইসব (বয়স বেড়ে যাওয়ার এই একটা অসুবিধা, দুই লাইনের কথার জন্যে তেরো পৃষ্ঠা ভূমিকা), সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুদের মধ্যে ধর্ম নিয়ে যে স্পর্শকাতরতা সেটা সম্ভবত ইন্ডিয়া বা নেপালের চেয়ে বেশী। শুধু যে বেশী স্পর্শকাতর সেটাই না, তার বহিঃপ্রকাশও তীব্রতর। না, বেশী উদাহরণ দিব না। টেম্পটেশনটা নিয়ন্ত্রণ করছি। নাইলে পোস্টের আয়তন বেড়ে অপাঠ্য হয়ে যাবে। শুধু গতকালের ঘটনাটা বলি।

গতকাল সকালে ফেসবুক খুলে দেখি মল্লিকা সেনগুপ্তের উদ্ধৃতি দিয়ে আমাদের সুপ্রীতি একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছে সিঁদুর প্রথা বন্ধ চেয়ে। উদ্ধৃতিটা হচ্ছে ""পিতৃতন্ত্রের এক মোক্ষম প্রতীক সিঁদুর। কৌম আদিম সমাজে পুরুষ যখন কোন নারীর দখল নিত, ঐ নারী তার সম্পত্তি একথা জানানোর জন্য শকুনের ডানার পালক দিয়ে সিঁথি চিরে মেয়েটিকে রক্তচিহ্নিত করে রাখত। উপজাতি অনুসারে নখ দিয়ে বা অস্ত্র দিয়েও সিঁথি চেরা হতো। এটা সম্পূর্ণভাবেই মালিকানা চিহ্ন, যেভাবে গরুর গলায় পুঁতি ও ঘণ্টা বেঁধে চিহ্ন রাখা হয়। সিঁদুরের সঙ্গে সহযোগী শাঁখা, লোহা সবই শৃঙ্খলের প্রতীক।"

আমি যখন পোস্টটি দেখেছি, তখনই গালাগালির নহর অনেকটুকু গড়িয়েছে। আর এইসব ক্ষেত্রে- সুপ্রিতি কিনা নারী- গালির ধরনগুলিও অনুমান করতে পারেন। আমার কি দুর্মতি হয়েছিল, আমি সেখানে একটি মন্তব্য করেছিলাম। ফলত প্রসাদের খানিকটা আমিও পেয়েছি। আমি আর এগুইনি তাই আমার ভাগটা কম। সুপ্রিতি আর বৈশালীর প্রাপ্তিটা বেশী- ঈর্ষা করার মতোই বেশী।

ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে এই কথাটা, এই যে সিঁদুর একটি পিতৃতান্ত্রিক প্রথা এবং নারীর জন্যে অবমাননাকর, এটা কিন্তু ভারতে নারীবাদীরা এবং লিবারেলরা বহুদিন থেকেই বলে আসছেন। এটা নিয়ে সংশয়েরও কিছু নেই যে সিঁদুর আসলেই একটি পিতৃতান্ত্রিক বা পুরুষতান্ত্রিক প্রথা যেটার অন্তর্নিহিত ধারনাটা হচ্ছে নারীকে পুরুষের মালিকানাধীন সম্পদ বিবেচনা করা। আমি তো সেই ফুলন দেবী থেকে শুরু করে ভারতের অনেক লিবারেল নারীকেই এইটা নিয়ে বলতে শুনেছি প্রতিবাদ করতে শুনেছি। কমলা ভাসিনের বক্তৃতার কথা পড়েছি কাগজে, যেখানে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে সিঁদুর একটি পুরুষতান্ত্রিক প্রথা, এটি বন্ধ করা দরকার।

(৫) ভারতে ওরা যে গালিগালাজ খায় না তা নয়। সেক্যুলারদেরকে তো সেখানেও হত্যাও করা হয়। আমাদের এখানে চাপাতি দিয়ে কাটে আর ওখানে ওরা মোটর সাইকেলে চেপে এসে গুলি করে যায়। সেটা উগ্র সাম্প্রদায়িকদের কাজ। কিন্তু এমনিতে সাধারণ শিক্ষিত মধ্যবিত্তদের দেখবেন, কমলা ভাসিন কিন্তু এই কথার জন্যে ওদের কাছ থেকে সেরকম গালিগালাজ লাভ করেন না। কিন্তু একই কথার জন্যে সুপ্রিতির গালিভাগ্য একটু বেশী কেন? কারণ এখানে তো হিন্দুরা সংখ্যালঘু। সংখ্যালঘুদের তো সংবেদনশীলতা বেশী।

ভারতে আবার যদি কেউ মুসলমানদের কোন ধর্মীয় প্রথা নিয়ে কিছু বলে তাইলে সেখানেও আবার একইরকম প্রতিক্রিয়া হবে। যে কথাটা হয়তো বাংলাদেশের মুসলমানরা একটু কম গালির উপর দিয়ে পার করে দিবে, সেই কথাটাই ভারতে বললে ভারতের মুসলমানরা আপনাকে ছিঁড়ে খুঁড়ে ফেলবে কথা দিয়ে। এইজন্যেই সুপ্রিতির পোস্টটিতে মন্তব্য করতে গিয়ে আমাকে যারা গালি দিএয়ছেন, ওদের প্রতি আমার ক্রোধ নাই। বেচারারা ঐ মাইনরিটি কমপ্লেক্সের শিকার। এর দায় আমাদের সকলেরই আছে। ওদের প্রতিদিন প্রতি পদে পদে আমরা মনে করিয়ে দিই যে তুই হিন্দু তুই মাইনরিটি। ওদের একটা অংশ তো অতি সংবেদনশীল হবেই।

তবে কিনা ঐ গালাগালি যারা করেছেন, আপনারা আসলেই একটু ছোটলোক আছেন ভাই। মূর্খ তো বটেই। গালাগালির ধরনটা আর ভাষাটা একটু সংযত কেন রাখতেন পারেন না!

এনিওয়ে। সিঁদুর প্রসঙ্গে দুইটা কথা বলেই শেষ করছি, কাজে যেতে হবে।

(৬) ধার্মিকরা দেখবেন যে ওদের ধর্মীয় প্রথা ইত্যাদি জায়েজ করার জন্যে নানা প্রকার বৈজ্ঞানিক (:D) তত্ব হাজির করে। সিঁদুর বেচারাও এই প্রকার বৈজ্ঞানিক হামলা থেকে মুক্ত নয়। ভারতের বিশিষ্ট হিন্দু ধার্মিক লোকেরা সিঁদুরের নানা প্রকার বৈজ্ঞানিক উপযোগিতা বের করেছেন। আপনারা যারা সিঁদুরের পক্ষে আছেন, সেইগুলি খুঁজে নিয়ে প্রচার করতে পারেন। সেইসব তত্বের মধ্যে আছে যে সিঁদুরে নাকি ব্লাড প্রেশারও কন্ট্রোল করে। শুনে তো আমি ভাবলাম নিজেই সিঁদুর পরা শুরু করবো কিনা! কে যেন বলল যে না, পুরুষ হলে এটা হবে না। হায়রে, পুরুষ না হলে তো অন্তত এই সুযোগটা নিতে পারতাম।

আর এইরূপ প্রচার করলে সিঁদুর বানায় যেসব কোম্পানি- পতঞ্জলিও আছে এর মধ্যে- ওরা আপনাকে স্পন্সরও করতে পারে। মনে রাখবেন, বাঙ্গালদেশের মার্কেট কিন্তু নেহায়েত ছোট না। কারণ ঐ যে মাইনরিটি সাইকোলজি, তার কারণে বাংলাদেশের হিন্দু বিবাহিতা নারীদের মধ্যে সিঁদুর পরেন না এরকম খুব কম পাবেন। এর পাশাপাশি আমার অনেক বাঙালী মুসলমান রমণীও অঙ্গসজ্জার অংশ হিসাবে মাঝে মাঝে সিঁদুর পরতে ইচ্ছা করেন। আমার প্রিয়তমা স্ত্রীও কয়েকবার বেশ সিঁদুর পরে সেজে তেজে ফটো তুলেছেন। সাথে আমার বোন আর ভাবি তো ছিলেনই এমনকি আমার আইবুড়ো কন্যা আর ভাতিজিও ছিল। সেই ছবির জন্যে ওরা অবশ্য ওদের ভাগের নিন্দাটাও পেয়েছেন মুসলিম সমাজের কাছ থেকে। হায়, আমরা যে কবে এইসব ধার্মিকদের হাত থেকে মুক্তি পাবো!

 


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
External links are provided for reference purposes. This website is not responsible for the content of externel/internal sites.
উপরে যান