ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল - কিছু স্মৃতি, কিছু কথা।

Tue, Dec 5, 2017 6:14 PM

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল - কিছু স্মৃতি, কিছু কথা।

(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল। দেশের রাজনীতিকে উল্টোমুখো করে দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিরোধ হিসেবেই জন্ম নিয়েছিলো সংগঠনটি। না, রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, সংস্কৃতি দিয়ে দেশ এবং রাজনীতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পথে ধরে রাখার প্রত্যয় নিয়ে এই সংগঠনের যাত্রা। তার পর তো ইতিহাস। স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তো এই সংগঠনটি হয়ে উঠেছিলো অপরিহার্য্য শক্তি।

সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলকে যারা গড়ে তুলেছেন, বিভিন্ন সময়ে এই সংগঠনটির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে ছিলেন, তাদের ভাবনাগুলো, স্মৃতিকথাগুলোকে গ্রন্থিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন সংগঠনের পক্ষে  আহমেদ হোসেন। টরন্টোতে বসবাসরত সাংস্কৃতিক সংগঠক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলের প্রতিষ্ঠালগ্নের উদ্যোগের সাথে ছিলেন, এখনো চেতনায় সেই স্পিরিটকেই ধারন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল নিয়ে বিভিন্নজনের স্মৃতিগাঁথাগুলো গ্রন্থিত হয়ে পাঠকের হাতে যাবার আগে সেগুলো ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করবে নতুনদেশ । আপনাদের মতামতকেও আমরাও সাদরে গ্রহন করবো।– বিভাগীয় সম্পাদক, নতুনদেশ।)

 ডা: সত্যেন পাল : আমি তখন পরিসংখ্যান বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষ পর্বের ছাত্র। সায়েন্স এনেক্স ভবনের চার তলায় আমাদের নিয়মিত ক্লাস হয়। সময়টা ১৯৮৪ সাল। একদিন মধ্যাহ্নে পেট পূজো করার জন্য টিএসসি'র ক্যাফেটেরিয়াতে যাবার প্রাক্কালে নিচে সিড়ির পাশে একটি নোটিশ আমার দৃষ্টিগোচর হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলে বিভিন্ন বিভাগে সদস্য অন্তর্ভুক্তির আহবান। মনে মনে ভাবলাম জীবনে এখনও তেমন কিছু অর্জন করতে পারিনি। মাঝে মাঝে ঘরোয়া পরিবেশে বা ছিটেফোটা দু-একটা ফাংশনে গান গেয়ে কিছু লোককে হয়তোবা একটু আনন্দ দান করেছি, এ আর এমন কি ?  এ তো অনেকেই করে থাকে। তার চেয়ে এমন একটি সংগঠনের সদস্যপ্রাপ্তি অনেক বেশি কৃতিত্বের ও সন্মানের।

যেই ভাবা, সেই কাজ। ফরমেট অনুযায়ী যথাযত আবেদন করলাম। অনতিবিলম্বে সাক্ষাতকারের চিঠি পাপ্তি। নির্দিষ্ট দিনে যথাসময়ে উপস্থিত হই। ডাক পরলো একসময়। ভেতরে ডুকে দুজনকে দেখতে পাই। আমাদের সবার প্রিয় লাকি ভাই আর বাফার রবীন্দ্রসংগীতের তৎকালীন শিক্ষক ও শিল্পী সাজ্জাত ভাই। সালাম বিনিময়ের পর আমাকে প্রশ্ন করা হলো আগে কোথাও গান শিখেছি কিনা। বললাম বাফাতে দু বছর উচ্চাঙ্গসংগীত শিখেছি তবে কোর্স শেষ করা হয়ে উঠেনি।  লাকি ভাই বললেন, ঠিক আছে, এবার আপনার পছন্দের একটি গান শোনান। হারমোনিয়ামটি সামনেই ছিল। টেনে নিয়ে  পিন্টু ভট্টাচার্যের ' সবাই যখন চলে যাবে গো ' গানটির সবে স্থায়ী অংশটি শেষ করেছি, লাকি ভাই বলে উঠলেন, ধন্যবাদ। পরশুদিন নোটিশ বোর্ডটি দেখে নেবেন। ভাবলাম পুরো গান না শোনা মানে আমার গান পছন্দ হয়নি। দুরু দুরু বুকে নির্দিষ্ট দিনে নোটিশ বোর্ডটিতে চোখ রাখি। ক্রমিক এক, দুই, তিন.....  আরে !  এই তো তিনে আমার নাম রয়েছে !  মানে পাস করেছি, নির্বাচিত হয়েছি !  আনন্দ যেন আর ধরে না মনে !  এ যে বড় প্রাপ্তি ! না, আজ আর মাছ, ডাল - ভাত নয়, বিরিয়ানি চাই।  তা দিয়েই উদরপুর্তি হলো।

এবার নতুন সদস্যদের বরণ করবার পালা। নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত হলাম। প্রিয় বোনেরা লাল গোলাপ দিয়ে স্মিত হাস্যে উষ্ণ অভ্যর্থনায় আমাদের বরণ করে নিল। এ যেন কিছু একটা জয় করার অনুভুতি। লাকি ভাই স্বাগত জানিয়ে দলের প্রতিষ্ঠা, প্রেক্ষাপট, কর্মকান্ড,আদর্শ ইত্যাদি বর্ণনা করে আমাদের উজ্জীবিত করে তুললেন। সিনিয়রগণ তাদের স্বাগত বক্তব্য রাখলেন। পরের পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সামলোর গাওয়া বাপ্পী লাহিড়ীর 'মনে পড়ে তুমি ছিলে তাই আমিও ছিলাম', লাকি ভাইয়ের গাওয়া ভুপেন হাজারিকার ' আমি ভালোবাসি তোমাকে, তুমি ভালোবাসো আমাকে' আজও মনের মধ্যে দোলা দেয়। সবশেষে মিষ্টিমুখের মাধ্যমে সমাপ্ত হয় নবীনদের বরণ। লাকি ভাই পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং করেন।

ঢাবিসাদের রীতি-নীতি, আদর্শ,কর্মকান্ড,উদ্দেশ্য আমাকে দারুনভাবে আকর্ষণ করে। আমি কোন কালেই ধুম-ধারাক্কা মার্কা গান পছন্দ করতাম না। মনে হলো ঠিক জায়গাতেই এসেছি। 'আমরা সুন্দরের অতন্ত্র প্রহরী ' এর চাইতে মধুর বাণী মানবতাবাদীদের জন্য আর কিছু হতে পারে কিনা জানিনা। তাই এই মন্ত্রে নিজেকে দীক্ষিত করে নিলাম। শুরু হলো পথ চলা, যে চলার নেই যেন কোন বিরতি, নেই যেন কোন ফাঁকি। তাই অচিরেই লাকি ভাইয়ের প্রিয়ভাজন হয়ে উঠলাম। অংশগ্রহণ করতে থাকলাম দলীয় সংগীতে, এককে, নাটকের গানে, ঢাবি দিবসে, মাঝে মাঝে ক্ষেপে। জীবনে যেন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। রয়েল বেঙল টাইগার, অত:পর হরেন মন্ডল, গীতি- নৃত্যনাট্য সোনাই মাধব, সবেতেই প্রাঞ্জল উপস্থিতি। মনে পড়ে টিএসসি'র মিলনায়তনে একদিন সন্ধ্যাবেলার অনুষ্ঠানের কথা। ঢাবিসাদ ছাড়াও ঐদিন সুবীর নন্দী সহ আরও অনেকে গেয়েছিলেন। মিলনায়তন তখন টানটান উত্তেজনায় ভরপুর। সুবীরদা সবে গান শেষ করেছেন, লাকী ভাই বললেন, এবার তোমার পালা। পরিবেশটাকে শান্ত করতে হবে। গেয়ে উঠলাম পিন্টু ভট্টাচার্যের ' প্রেমের বাঁশী বাজেরে'। অদ্ভুতভাবে মিলনায়তন শান্ত হয়ে গেলো। লাকি ভাই পিঠ চাপড়ে দিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটে আশির দশকের শুরুতেই। যদিও আমি পরবর্তিতে যোগদান করি। তখন শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্তর নয়, সারা দেশেই বিদেশী অপসংস্কৃতি আমাদের নিজেদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়। এরই প্রেক্ষাপটে ঢাবিসাদের জন্ম। নিজেদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে রক্ষা করা, স্বাধীনতার মূল্যবোধকে টিকিয়ে রাখা, স্বৈরাচারী কর্মকান্ডকে প্রতিহত করা সহ মানবিক মূল্যবোধকে জাগিয়ে তুলে আলোকিত মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলতেই এই সংগঠনটির জন্ম। যার হাত ধরে এই দলটির পথচলা, তিনি আর কেউ নন, তৎকালীন ডাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক, আমাদের সকলের প্রিয়, লিয়াকত আলী লাকি, ভাই। যার বলিষ্ট নেতৃত্বে সংগঠনটি মাথা তুলে শুধু দাড়ায়নি, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্বও দান করেছে। তা সম্ভব হয়েছিলো একনিষ্ট ও ত্যাগী কিছু তরুন সমমনা সাংস্কৃতিক যোদ্ধার ও বন্ধুদের মিলনে। ফলে অপসংস্কৃতি ধীরে ধীরে লোপ পেতে শুরু করে আর স্বীয় সংস্কৃতি পু:ন জাগরিত হয়। তবে তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই আন্দোলন এত সহজসাধ্য ছিলো না। পদে পদে হোচট খেতে হয়েছে যদিও, তবু বিজয়ীরা কখনো পিছু হটতে শিখেনি।

মনে পড়ে আমাদের বর্তমান প্রধান মন্ত্রী, মাননীয় শেখ হাসিনাকে প্রথম দর্শনের কথা। কলাভবনের সামনে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। উনি গিয়েছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে। আমরা গেয়েছিলাম লাকি ভাইয়ের লেখা ও সুরে ছাত্রলীগের দলীয় সংগীত ' শিক্ষা,শান্তি,প্রগতির নামে........ '। দ্বিতীয়বার দর্শন হয় দলীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় সমাবেশের পর আমাদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময়। আমাদের গাওয়া প্রথম সমবেত সংগীতটি ছিল লাকি ভাই লিখিত ও সুরারোপিত  ' বিচার চাই বিচার চাই, মুজিব হত্যার বিচার চাই '। এরপর সামলো গাইলো বিখ্যাত গান ' শোন একটি মুজিবরের......  '।  হাজারো হাতের তালিতে ফেটে পড়লো গোটা সমাবেশস্থল। প্রথম গানটি শেষ হবার পর একজন কর্মী রীতিমতো উত্তেজিত হয়ে কাছে এসে বলেছিলো, আমি এ হত্যার বিচার চাই, বলুন কি করতে হবে। লাকি ভাই তাকে অনেক বুঝিয়ে শান্ত করেছিলো। গান যে মানুষের মনে তৎক্ষনাত প্রভাব ফেলতে পারে তা ঐ ঘটনা থেকে সহজেই অনুমান করা যায়। হাসিনা আপু আমাদের গানগুলো শোনে অঝোরে অশ্রুপাত করেছিলেন। তা দেখে নিজেও অশ্রুপাত করেছিলাম।

বুয়েটের একটি ঘটনা মনে পড়লে আজো হাসি পায়। ' অত:পর হরেন মন্ডল ' নাটকটি সবে শেষ হয়েছে। আমাদের হাতে তখন নাস্তার প্যাকেট। একজন দর্শক এসে আমাকে বললেন, দাদা, আপনার অভিনয় খুব ভালো হয়েছে। আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম। আমি আবার অভিনয় করলাম কখন !  আমি তো গানের অংশে ছিলাম। লাকি ভাই পাশেই ছিলেন, তাকাতেই চোখ মারলেন, ঈশারায় চালিয়ে যেতে বললেন। অগত্যা উনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ  দিয়ে বিদায় জানালাম। আসলে হরেন মন্ডলের ভুমিকায় অভিনয়কারী বন্ধুটির সাথে আমার কিছুটা মিল ছিল, তাই এই বিভ্রম।

এভাবেই সবকিছু চলছিলো। আলো আর অন্ধকার যেমন পাশাপাশি বিরাজ করে, ঠিক  তেমনি আনন্দ আর বেদনাও  পাশাপাশি অবস্থান করে। দু দুটি বেদনাদায়ক ঘটনা না উল্লেখ করলেই নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে জগন্নাথ হলের সেই অক্টোবরের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, যাতে ৩৭ টি তাজা প্রাণ অকালে ঝড়ে গিয়েছিলো। ঘটনার আকষ্মিকতায় সকলেই স্তম্বিত ও ব্যথিত।কাফনে মোড়ানো সেই মৃত দেহগুলো এখনও চোখে ভেসে উঠে। মনে মনে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই, আমার সিট তো ঐ হলেই বরাদ্ধ ছিল। ভাগ্যিস আমি সেখানে যাইনি। আমার পরিণতি তো একই রকম হতে পারতো। ঘটনার পরদিন সকালে আমি আর অসি  টিএসসি'র নিচে আহতদের বাঁচাতে দলের উদ্যোগে তৎকালীন রেডক্রসের সহযোগীতায় রক্তদান কর্মসূচীতে রক্তদানে আগ্রহীদের নাম নথিভুক্ত করার দায়িত্বে থাকি। মূহুর্তেই ২৫০ লোক নাম নথিভুক্ত করে ফেলে। কিন্তু সেদিন রেডক্রসের কাছে সেই পরিমান রক্ত সংগ্রহের ব্যাগ মজুত ছিল না বিধায় সবার রক্ত সংগ্রহ করা যায়নি। এই ঘটনা আমাদের জাতীয় ঐক্যকে যেন আবারো নতুনভাবে দৃশ্যমান করে। সমস্ত পেশার লোকজন ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এই মর্মান্তিকতায় আহত হয়, এগিয়ে আসে। দ্বিতীয় ঘটনাটি টিএসসিতে আমাদের তখনকার ভিসি স্যারকে সম্বর্ধনা দেবার প্রাক্কালে ঘটে। ছাত্রদল নামধারী কিছু দুর্বৃত্বের আকষ্মিক হামলায় সেই অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়। আমরা সবাই কমবেশী এতে ভীত হয়ে এক দারোয়ানের গৃহে দেয়াল টপকে আশ্রয় গ্রহণ করি। কিছুক্ষণ পর লাকি ভাই এলে দেখি তার হাত থেকে রক্ত ঝড়ছে। আমরা আরো ভীত হয়ে পড়ি। লাকি ভাই সবাইকে অভয় দান করেন। অত:পর অঝোরে বৃষ্টিপাত হয়। আমি ঐ ঘটনায় আমার ভাগ্নের নতুন জুতো হারিয়েছিলাম, এর বেশী কিছু নয়।

 

ঢাবিসাদে আমার ব্যপ্তিকাল খুব বেশী দিনের নয়। মাত্র দু বছরের। কিন্তু তার প্রভাব যেন জীবনভর। তখনকার সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে সাংস্কৃতিক দল তথা ঢাবিসাদ এবং এর সদস্যদের একটা অন্যরকম আবেদন ছিল। ছোট্ট একটা ঘটনার কথা বলি। আমি আমার এক বৌদির সুন্দরী বোনকে নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলে নাগরিক ও থিয়েটারের যৌথ প্রযোজনা, শেক্সপিয়ারের ' ওথেলো ' দেখতে যাই। প্রবেশ মুখে গিয়ে দেখি কোন টিকেটই আর অবশিষ্ট নেই। দাদার শালীকার কাছে নিজেকে ছোট করার আগে অস্তিন থেকে আমার দৈব অস্ত্রটি প্রয়োগ করি। বলি, ভাই, সাংস্কৃতিক দলের সদস্য, ফিরে যাবো ? উনি বললেন, একমিনিট দাড়ান, দেখি কি করতে পারি। উনি হলে চলে গেলেন, একটু পর ফিরে এলেন। ধরিয়ে দিলেন দু দুটো প্রথম দিকের ভিআইপি টিকেট। আরে!  এ যে ছো যাদুমন্ত্র !  এই হলো সাংস্কৃতিক দল বা ঢাবিসাদ।

পরিশেষে এই বলবো - আমি ঢাবিসাদকে আমার নিজের মতোই ভালোবাসি, যে ভালোবাসা ছাড়া জীবন আর জীবন থাকে না, থাকে শুধু স্মৃতি। সুস্থ সংস্কৃতি বেচে থাকুক, বেচে থাকুক মানবতা, বেচে থাকি আমরা সকলে সকলের মাঝে। বিশ্বে সর্বত্র শান্তি বিরাজ করুক - এ টুকুই তো চাওয়া।

লেখক:  ডা: সত্যেন পাল,হোমিওপ্যাথিক ও ন্যাচারোপ্যাথিক ডাক্তার, থেরাপিউটিক কাউন্সিলর, আকুপাংচারিস্ট

আরো পড়ুন: সুন্দরের প্রহরী


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
External links are provided for reference purposes. This website is not responsible for the content of externel/internal sites.
উপরে যান