সুন্দরের প্রহরী

Sun, Dec 3, 2017 3:46 PM

সুন্দরের প্রহরী

(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল। দেশের রাজনীতিকে উল্টোমুখো করে দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিরোধ হিসেবেই জন্ম নিয়েছিলো সংগঠনটি। না, রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, সংস্কৃতি দিয়ে দেশ এবং রাজনীতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পথে ধরে রাখার প্রত্যয় নিয়ে এই সংগঠনের যাত্রা। তার পর তো ইতিহাস। স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তো এই সংগঠনটি হয়ে উঠেছিলো অপরিহার্য্য শক্তি।

সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলকে যারা গড়ে তুলেছেন, বিভিন্ন সময়ে এই সংগঠনটির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে ছিলেন, তাদের ভাবনাগুলো, স্মৃতিকথাগুলোকে গ্রন্থিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন সংগঠনের পক্ষে  আহমেদ হোসেন। টরন্টোতে বসবাসরত সাংস্কৃতিক সংগঠক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলের প্রতিষ্ঠালগ্নের উদ্যোগের সাথে ছিলেন, এখনো চেতনায় সেই স্পিরিটকেই ধারন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল নিয়ে বিভিন্নজনের স্মৃতিগাঁথাগুলো গ্রন্থিত হয়ে পাঠকের হাতে যাবার আগে সেগুলো ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করবে নতুনদেশ । আপনাদের মতামতকেও আমরাও সাদরে গ্রহন করবো।– বিভাগীয় সম্পাদক, নতুনদেশ।)

ম, আবদুর রহিম : ১. একটু পেছন থেকে শুরু করি। গ্রামের স্কুল শেষ করে সবে ঢাকা কলেজে ভর্তি হয়েছি। সাউথ হোস্টেলে উঠেছি। পেছনে সব ফেলে আসার কষ্ট, আর নতুনকে জানার আনন্দ - এই দুইয়ের দোলাচলে দুলছি। সর্বক্ষণ চোখে চোখে রাখার আর কেও নেই। মুক্ত বিহঙ্গের মতো মন উড়ে চলছে। 

ঊনসত্তর থেকে একাত্তর যার শৈশব, বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর কৈশোর, যৌবনে সে তো যুদ্ধে, মিছিলে যাবেই। কিন্তু সে যে পঙ্গু! ওরা কি নেবে ওকে মিছিলে? অবাক বিস্ময়ে ও নিজেকে আবিস্কার করলো মিছিলের পুরোভাগে। শৈশবে বাচ্চারা দলবেঁধে ওর পিছু নিত অদ্ভূত ওকে দেখার জন্যে। কিন্তু ওদের সাথে মিশতে চাইলে ওরা দৌড়ে পালাত। আজ যৌবনের মিছিল ওকে ছেড়ে যায়না। ওকে এগিয়ে নিয়ে যায় অন্য উচ্চতায়।

২. ঢাকা কলেজের পাঠ শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি। উঠেছি সূর্যসেন হলে। আইন পড়ছি। কিন্তু প্রাণপণে চলছে রাজনীতি। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এলেন। সেদিন ঢাকায় প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টি হল। কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ লোকে লোকারণ্য। খোলা ট্রাকের পেছনে কাকভেজা হয়ে শুনেছি তাঁর ভাষণ। স্বজনহারা কন্যার বেদনা বিদুর চোখের জল সেদিন বৃষ্টি হয়ে আমাদের অশুচিকে শুচি করেছিল।

দিন যায়। রাজনীতি যেন ক্রমশঃ পেশীশক্তির অধীন হতে শুরু করলো। মধুর ক্যান্টিন আর আমাকে টানেনা। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ভালো লাগে। কিন্তু আমিতো ওসবের কিছুই জানিনা।
বিজয়ী লাকী ভাই ডাকসুর অধীনে দলমত নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদীপ্ত তরুন-তরুনীদের নিয়ে 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল' গঠন করা শুরু করলেন। গান, নাচ, আবৃত্তি, অভিনয়, ফটোগ্রাফি - এসব বিষয়ে প্রতিভাবানদের সদস্য করা হচ্ছে। প্রাণ টানে ওখানে যাই, মন বলে তুই ওসবের কি বুঝিস? সূর্যসেন হলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রটি ভাইকে আমার প্রাণ-মনের দোলাচলের কথা জানালাম। লাকী ভাইয়ের সাথে কথা বলার পর উনি আমাকে লাকী ভাইয়ের সাথে দেখা করতে বললেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় উনাকে কতবার দেখেছি। উনার গান শুনে মুগ্ধ হয়েছি। আজ যখন লাকী ভাইয়ের সাথে কথা হল, উনি আমার হাতে হাত রেখে মৃদু চাপ দিয়ে মায়া জড়ানো হাসি মুখে বললেন "তুমি দলের দপ্তরের দায়িত্ব নেবে"। সেদিন আমার প্রাণহীন দেহে প্রাণের সঞ্চার হল।

 

৪.  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলের দপ্তর টিএসসি'র দোতলায়। পাশেই ক'টি মহড়া কক্ষ। ওখানে নাচ, গান, নাটকের মহড়া চলছে। টিএসসি'র সামনের চত্বর, ভেতরে অডিটোরিয়াম এবং ক্যাফেটেরিয়ার বারান্দা ও লন ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মীদের আড্ডায় মুখরিত। বিশ্ববিদ্যালয় কাম্পাসের কেন্দ্রে এ যেন এক প্রাণের মেলা।

 

টিএসসি'র সামনের চত্বরে লাকী ভাই আমাকে সাথে ডালিয়া আপা ও Annie আপার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। ডালিয়া আপা ইংরেজিতে, Annie  আপা রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়েন। দু'জনেই নাচ করেন। ডালিয়া আপা আবৃত্তি ও উপস্থাপনাও করেন। ওনারা হাত বাড়িয়ে দিয়ে আমার সাথে হ্যান্ডশেক করলেন। এই প্রথম পরিবারের বাইরে কোন নারীর হাতে হাত রাখলাম। শৈশবে বাচ্চাদের দৌড়ে পালানোর অভিজ্ঞতা থেকে আমি পছন্দনীয় নই ভেবে যে চারি দেয়ালের মধ্যে নিজেকে বন্ধ রেখেছিলাম, তা যেনো ভেঙ্গে পড়তে শুরু করেছে। ওনাদের জড়তাহীনতা ও আন্তরিকতায় আমি অভিভূত।

 

ঐ বাড়িয়ে দেয়া হাত দুটো আজো ফেরেনি। এই দুই বড়বোন যে গভীর মমতা দিয়ে আমাকে গড়ে তুলেছেন, সাংস্কৃতিক দলের স্মৃতিচারণের এই ক্ষুদ্র পরিসরে সে বৃত্তান্ত সম্ভব নয়। আমি বলতে আজ যা বুঝি, এর পুরোটাই তাঁদের, বিশেষ করে ডালিয়া আপার জন্য। তিনি না থাকলে আমি যে কোথায় হারিয়ে যেতাম জানিনা। তিনি তাঁর পরিবার, পরিজন, বন্ধু-বান্ধব সবাইকে নিয়ে আমাকে যেভাবে তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন, সে উপাখ্যান আমার সারাজীবনের গল্প। তা হাজারো খণ্ডে লিখে শেষ করা যাবেনা।

৫. লাকী ভাইয়ের নেতৃত্বে আন্তঃহল নাট্য উৎসব, সাংস্কৃতিক উৎসব ও প্রতিযোগিতা শুরু হলো। হাজারো প্রতিযোগী, বিচারক, নির্দেশক, দর্শক, শব্দ, আলো, সাজ-সজ্জা, কলাকুশলী, সংবাদকর্মী, নাচ, গান, নাটক, রিহার্সাল, পোস্টার, ব্যানার - সব মিলিয়ে এক মহাযজ্ঞ ও মিলনমেলা। জাতীয় পর্যায়ের গুনী শিল্পীদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিভাবান শিল্পীদের এ সংযোগ ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। সামরিক শাসনের প্রেক্ষাপটে মানুষের এ মিলনমেলায় বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি চর্চার রুদ্ধদ্বার উন্মোচনের আহ্বান ঐক্যের ভিত্তি রচনা করেছিল।

নাট্য ও সাংস্কৃতিক উৎসবের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল এখন পরিপূর্ণ। প্রায় ৫০০ সদস্যের এ বিশাল দলে কত যে প্রতিভার সমাবেশ ঘটেছে! কত শত চিন্তা, উদ্ভাবন, প্রতিজ্ঞা - সব এসে এক মোহনায় মিশেছে! লাকী ভাই যথার্থই বলেছেন "নানান চিন্তা ও প্রতিভার মানুষকে একসাথে একস্রোতে মিলিয়ে দাও, ওরা সৃষ্টির আনন্দে বিপ্লব ঘটিয়ে দেবে"। সত্যি তাই, লাকী ভাই সে আনন্দময় সৃষ্টির রূপকার, বিপ্লবের মহানায়ক।

৬. দলে সবাই এখন ভীষণ ব্যস্ত। মহড়া, প্রদর্শনী, আড্ডা, বিতর্ক, নিরীক্ষা - সবই চলছে সমান তালে। আবহমান ধারার প্রদর্শনীর সাথে চলছে নিরীক্ষাধর্মী প্রদর্শনী। বৃন্দ-আবৃত্তি, পথ-নাটক বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিভাগ, হল, ছাত্র সংগঠনগুলো নানা উপলক্ষে যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল এখন তা বিনামূল্যে করে দিচ্ছে। লক্ষ্য একটাই - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে অপসংস্কৃতি নির্মূল করা। বাংলাদেশের বিবেক, সকল আন্দোলনের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস অশুদ্ধ-অশুচি সংস্কৃতি গ্রাস করবে - লাকী ভাই তা কখনো মানতে পারেন নি।

ক্রমেই পরিস্থিতির উন্নতি হলো। একসময় যে টিএসসি মিলনায়তনে জ্ঞান গাওয়ার সময় শ্রোতাদের বাধায় বরেণ্য শিল্পী নিলুফার ইয়াসমিনকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে হয়েছিল, সে মঞ্চে এখন সপ্তাহব্যাপী রবিন্দ্র-নজরুল-উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের অনুষ্ঠান হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় পর্যায়ের বরেণ্য শিল্পীরা এখন অবাধে জ্ঞান পরিবেশন করতে পারছেন।

লাকী ভাইয়ের একান্ত প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অপসংস্কৃতির প্রতীক "র‍্যাগ ডে"র পরিবর্তে নবীন-প্রবীনের মিলনমেলা "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস" আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল এ দিবসের ব্যবস্থাপনা ও দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা প্রদর্শনের দায়িত্ব নিলো।

অমর একুশের র‍্যালী, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, নববর্ষ, রবিন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীসহ সকল অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলের সরব উপস্থিতি অপরিহার্য হয়ে উঠলো।

৭. একদিকে চলছে আন্দোলনের চেতনা-জাগানো গণসংগীত, বৃন্দ-আবৃত্তি, পথ-নাটক; অন্যদিকে সমান তালে এগিয়ে চলছে প্রাণের সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক, স্থিরচিত্র প্রদর্শনী। ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে গীতিনৃত্যনাট্য "সোনাই মাধব" দর্শক-শ্রোতাকে বিমোহিত করলো।

দলের পথ-নাটক "রয়েল বেঙ্গল টাইগার" বেশ জনপ্রিয়তা পেলো। বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত রাজাকার-আলবদরদের উত্থান ঠেকানোর প্রত্যয় জাগালো এ পথ-নাটক। পাশাপাশি চললো পথ-নাটক "অবিরাম পাউরুটি ভক্ষণ"। দলের নিরীক্ষাধর্মী প্রযোজনা একটি জটিল মনস্তাত্ত্বিক নাটক "সেই মেয়ে" প্রচুর প্রশংসা পেলো। দলের বৃন্দ-আবৃত্তি "বিস্ফোরণের বৃন্দগান" মানুষকে আন্দোলনের পথে আহ্বান জানালো। স্বৈরাচারী সামরিক একনায়ক এরশাদের পতনের লক্ষ্যে গঠিত হলো "সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট" যার প্রাণকেন্দ্রে রইলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল।

 

নব্বইয়ের গণআন্দোলনের পটভূমি রচনায় এবং পরিশেষে একটি সফল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ফসল "কবিতার মঞ্চ" মঞ্চায়নের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল ও লাকী ভাইয়ের নেতৃত্ব ছিল মুখ্য ভূমিকায়।

৮. এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দলের মূল শ্লোগান "আমরা সুন্দরের অতন্দ্র প্রহরী" সবার দৃষ্টি কাড়ে। সকল র‍্যালীর সবার আগে এ শ্লোগান লেখা ব্যানার নিয়ে দলের ছেলেমেয়েরা সাদা পোষাক পরে গান গেয়ে নেতৃত্ব দিয়েছে। সকল গনমাধ্যমে, সকল মানুষের প্রাণে স্থান পেয়েছে শান্তি ও সুন্দরের প্রতীক সাদা পায়রার মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল।

দলের এ অফুরন্ত প্রাণ শক্তির উৎস কি ছিল? এক কথায় বলা যায় লাকী ভাইয়ের নেতৃত্ব। কিন্তু সে নেতৃত্বের রূপ কি ছিল? ঐ যে বলেছি মুখে সরল হাসি আর হাতে হাত রেখে মৃদু চাপ - এর পেছনে ছিল অকৃত্রিম প্রেম। দলের প্রতিটি সদস্যকে তিনি তাঁর অন্তর বিলিয়ে দিয়েছিলেন। বিনিময়ে সবার প্রাণ ন্যস্ত ছিল তাঁর কাছে। তাইতো দিনমান কঠোর পরিশ্রমের পরও রাতভর আড্ডায় ওরা অকাতরে নির্ঘুম রজনী কাটিয়েছে অহরহ। একান্ত আলাপচারিতায় ওরা নিজেদের সবকিছু ভাগাভাগি করে নিয়েছে সবার সাথে। যখনই মনে হয়েছে দল বেঁধে ছুটে গেছে এখানে সেখানে সবখানে। মেতেছে অবিরাম আড্ডায়, আনন্দ উল্লাসে। লাকী ভাই ওদের উৎসাহ যুগিয়েছেন সব কাজে। প্রাণের দাবিকে তিনি কখনো অগ্রাহ্য করেন নি।

৯. আমার ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে আসি। আগেই বলেছি ডালিয়া আপা ও Annie আপা আমার চারিধারে স্বনির্মিত দেয়াল ভাঙ্গা সূচনা করেন। এ ভাঙ্গার কাজে অংশ নিয়েছেন দলের প্রতিটি সদস্য। এর নেতৃত্বে ছিলেন লাকী ভাই। যে প্রেমের স্পর্শে আমি রূপান্তরিত হচ্ছিলাম, তা-ই যেনো আমাকে বলে দিচ্ছিল কেমন করে ওকে ধারণ করতে হয়। অবলীলায় সকলে আমাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছে। অগাধ বিশ্বাস।

দপ্তরের কাজের বাইরে যে কটি কাজ আমাকে করতে হতো, এর মধ্যে প্রধান কাজ ছিল প্রয়োজনে মেয়েদের স্থানীয় অবিভাবকের দায়িত্ব পালন করা। সে গুরু দায়িত্ব পালনে আমার নিষ্ঠার অভাব ছিলোনা। নিজের সাথে যুদ্ধ করেছি। সকল চাপ, ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে, অনুরাগ-বিরাগের ঊর্ধ্বে ওঠে অর্পিত দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি অতন্দ্র প্রহরীর মতো। আমি সুন্দরের প্রহরী!

 


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
External links are provided for reference purposes. This website is not responsible for the content of externel/internal sites.
উপরে যান