৮ময় বর্ষ সংখ্যা ৫০ | সাপ্তাহিক  | ২৩ আগস্ট ২০১৭ | বুধবার
কী ঘটছে জানুন, আপনার কথা জানান

ভয়ার্ত ২১ আগস্ট: শর্ষের মধ্যে ভুত?

শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। ঐ দিনে বাংলাদেশের ইতিহাসে যুক্ত হয় আরও এক কলঙ্কময় অধ্যায়। সেই দিনের ঘটনায় অকালে ঝরে যায় ২৪টি তাজা প্রাণ। ঘটনাস্থলেই নিহত হন ১৬ জন নেতাকর্মী। পরে আরও মারা যান ৮ জন। দীর্ঘ ৫৮ ঘণ্টা মৃত্যুর প্রহর গোনে ২৪ আগস্ট মারা যান আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী আইভি রহমান। এই তালিকায় আরো অছেন মোস্তাক আহম্মদ সেন্টু, শেখ হাসিনার দেহরক্ষী ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রহমান, সবার প্রিয়মুখ আদাচাচা হিসাবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, হাসিনা মমতাজ রীনা, সুফিয়া বেগম, রিজিয়া বেগম, আমিনুল ইসলাম, রতন শিকদার, আবদুল কুদ্দুছ পাটোয়ারী, মোহাম্মদ হানিফ ওরফে মুক্তিযোদ্ধা হানিফ, লিটন মুন্সী, বিল্লাল হোসেন, আব্বাসউদ্দিন শিকদার, মোতালেব, আতিক সরকার, মামুন মৃধা, আবুল কাসেম, আবদুর রহিম, জাহেদ আলী ও নাসিরউদ্দিন সর্দার।

দীর্ঘ ১৩ বছরেও শেষ হয়নি ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার বিচার। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে ঘটে যাওয়া দ্বিতীয় বর্বরতম হত্যাকাণ্ডের বিচারে দেখা দিয়েছে দীর্ঘসূত্রতা। সেদিনের হামলায় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা অধীর আগ্রহ নিয়ে বিচারের রায় শোনার অপেক্ষায় দিন গুনছেন। লাশ, রক্তস্রোতের ভয়ঙ্কর স্মৃতি আর শরীরের ভেতরে স্থায়ী আবাস গড়া স্পিস্নন্টারের যন্ত্রণা আজও তাদের তাড়া করে ফিরছে। তাদের স্বপ্নভরা চোখে এখনো বিষাদের কালো ছায়া। আবার অনেকে জঘন্য এই ঘটনার বিচার না দেখেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী শান্তি সমাবেশে নারকীয় এই গ্রেনেড হামলায় মানবঢাল তৈরি করে নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেছিলেন।দিনটি ছিলো শনিবার। বিকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে সন্ত্রাস ও বোমা হামলার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সমাবেশ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাবেশে হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছিল। সমাবেশ শেষে সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল হওয়ার কথা। তাই মঞ্চ নির্মাণ না করে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি ট্রাককে মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সমাবেশে অন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্যের পর শেখ হাসিনা বক্তব্য দিতে শুরু করেন। সময় তখন বিকাল ৫টা ২২ মিনিট। `জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু` বলে বক্তৃতা শেষ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তার হাতে থাকা একটি কাগজ ভাঁজ করতে করতে এগুচ্ছিলেন ট্রাক থেকে নামার সিঁড়ির কাছে। মুহূর্তেই শুরু হলো নারকীয় গ্রেনেড হামলা। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হতে লাগল একের পর এক গ্রেনেড। মুহূর্তেই মৃত্যুপুরীতে পরিণত হলো জীবন্ত বঙ্গবন্ধু এভিনিউ। শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় ঘাতকরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ১৩টি গ্রেনেড বিস্ফোরণের বীভৎসতায় মুহূর্তেই রক্ত-মাংসের স্তূপে পরিণত হয় সমাবেশস্থল। রক্তগঙ্গা বয়ে যায় এলাকাজুড়ে।

ঘাতকদের প্রধান লক্ষ্য ছিলো শেখ হাসিনা। বিষয়টি বুঝতে পেরে ট্রাকে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতারা ও শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক মানবঢাল রচনা করে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেন বঙ্গবন্ধু কন্যাকে। নেতা ও দেহরক্ষীদের আত্মত্যাগে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান শেখ হাসিনা। গ্রেনেডের আঘাতে প্রাণ কেড়ে নিতে না পেরে ওদিন শেখ হাসিনার গাড়িতে বৃষ্টির মতো গুলি ছুড়েছিল ঘাতকরা। পরিকল্পিত ও টার্গেট করা ঘাতকদের নিক্ষিপ্ত গুলি ভেদ করতে পারেনি শেখ হাসিনাকে বহনকারী বুলেটপ্রুফ গাড়ির কাঁচ। শেখ হাসিনাকে আড়াল করে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে জীবন বিলিয়ে দেন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রহমান। নারকীয় এই হামলায় প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দের কারণে বাম কান মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

রক্তাক্ত-বীভৎস ওই ভয়াল গ্রেনেড হামলায় নিহত অন্যরা হলেন মোসতাক আহম্মদ সেন্টু, শেখ হাসিনার দেহরক্ষী ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), হাসিনা মমতাজ রীনা, রিজিয়া বেগম, রতন শিকদার, মোহাম্মদ হানিফ ওরফে মুক্তিযোদ্ধা হানিফ, লিটন মুন্সী, আবদুল কুদ্দুছ পাটোয়ারী, বিল্লাল হোসেন, আব্বাছ উদ্দিন শিকদার, আতিক সরকার, মামুন মৃধা, নাসির উদ্দিন সর্দার, আবুল কাসেম, আবুল কালাম আজাদ, আবদুর রহিম, আমিনুল ইসলাম, জাহেদ আলী, মোতালেব ও সুফিয়া বেগম।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি (তৎকালীন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য) জিল্লুর রহমান, প্রয়াত আবদুর রাজ্জাক, আমির হোসেন আমু, সদ্য প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, কাজী জাফর উল্লাহ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, নজরুল ইসলাম বাবু, আওলাদ হোসেন, সাঈদ খোকন, মাহবুবা আখতার, অ্যাডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল, নাসিমা ফেরদৌস, শাহিদা তারেক দীপ্তি, রাশেদা আখতার রুমা, হামিদা খানম মনি, ইঞ্জিনিয়ার সেলিম, রুমা ইসলাম, কাজী মোয়াজ্জেম হোসেইন, মামুন মলি্লকসহ আহত হোন ৫ শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী।

একুশে অগাস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলা ১৩ বছর পর বিচারের শেষ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন আলোচিত এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুঁলি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ রেজাউর রহমান। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ত্রয়োদশ বার্ষিকীর একদিন পর ২২ আগস্ট (মঙ্গলবার)মামলা দুটির সাফাই সাক্ষ্যের দিন ধার্য রয়েছে। জানা যায়, আসামি পক্ষের জমা দেয়া ২০ জনের সাফাই সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনেরই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর হবে যুক্তিতর্কের শুনানি। তা শেষেই হবে রায়।

নথিপত্রে দেখা যায়, গত ১২ জুন মামলাটিতে জামিনে ও কারাগারে থাকা ৩১ আসামির আত্মপক্ষ শুনানি শেষ হয়। শুনানিতে উপস্থিত আসামিরা সবাই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জন পলাতক আসামি আত্মপক্ষ শুনানির সুযোগ পাননি। হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের মামলা দুটিতে রাষ্ট্রপক্ষে ৪৯১ সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিয়েছে ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। এই আদালতের বিচারক শাহেদ নুরুদ্দিন পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের মাঠে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে মামলাটির শুনানি নিচ্ছেন।

২২ আগস্ট মতিঝিল থানার তৎকালীন এসআই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে এই মামলাটির তদন্ত ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠে, যা পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে। থানা পুলিশ, ডিবির হাত ঘুরে সিআইডি এই মামলার তদন্তভার পায়। ঘটনার ৪ বছর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৮ সালের ১১ জুন মোট ২২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন সিআইডির জ্যেষ্ঠ এএসপি ফজলুল কবির। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটির অধিকতর তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করে। সিআইডির বিশেষ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ অধিকতর তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৩ জুলাই আসামির তালিকায় আরও ৩০ জনকে যোগ করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন। ২০১২ সালের ১৮ মার্চ তারিখে সম্পূরক অভিযোগপত্রের ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়। খালেদা জিয়ার ছেলে লন্ডনে থাকা তারেককে পলাতক দেখিয়ে তখন অভিযোগ গঠন হয়েছিলো। খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম ডিউকও এই মামলার আসামি।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক মো. আশরাফুল হুদা, শহিদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরীর সঙ্গে আসামির তালিকায় রয়েছেন জোট সরকার আমলের ৩ তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন, মুন্সি আতিকুর রহমান ও আব্দুর রশীদ। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, ঢাকার সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলামও এই মামলার আসামি।

আসামিদের মধ্যে জঙ্গি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানের এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মো. মুজাহিদের অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। বাবর, পিন্টুসহ ২৩ আসামি রয়েছেন কারাগারে; জামিনে আছেন সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফ ও সাবেক ৩ আইজিপিসহ ৮ জন। তারেক, কায়কোবাদসহ পলাতক আসামি ১৯ জন।

গত বছর ১৮ আগস্ট জাতীয় সংসদে আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর সাংসদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক কমিটিকে জানিয়েছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ২২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া শেষ হয়েছে। আর দু’জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া বাকি। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে। আওয়ামী লীগ নেতা ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ একইদিন অপর এক আলোচনা সভায় বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর রক্তের মধ্যে কেউ যেন ক্ষমতায় যেতে না পারে, সেই জন্য ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হাওয়া ভবন থেকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়। সেই বিচার কাজ খুব দ্রুত সমাপ্ত করা হবে। প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হবে। যদিও এখনও সেই বিচার প্রকৃয়া সম্পন্ন হয়নি? এ মামলার বিচার শেষ হবে কবে, সে বিষয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে!

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে,এ মামলার মোট সাক্ষী ৪৯১ জন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এই মামলার  অন্যতম একজন সাক্ষী। এ মামলার অপর গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান। ১২ বছরে মাত্র ২২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনার পর শুরু হয় তদন্ত। কিন্তু তৎকালীন জোট সরকার শুরু থেকেই মনগড়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে সহায়তার জন্য আসা ব্রিটিশ গোয়েন্দা পুলিশ স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপোল) টিম ঢাকায় আসে। সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের চিহ্নিত করতে দিক নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশের তদন্ত সংস্থা সিআইডিকে। কিন্তু সেদিকে দৃষ্টি না দিয়ে ঘটনার মূল হোতাদের আড়াল করে ঘটনার দায় চাপিয়ে দেয়া হয় আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর। গ্রেফতার করা হয় আওয়ামী লীগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরী ও ওয়ার্ড কমিশনার মোখলেছসহ অনেকেকে। হোটেল কর্মচারী জর্জ মিয়াকে দিয়ে রচনা করা হয় নাটক। কিন্তু সে নাটক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে মামলা তদন্তে নতুন মোড় নেয়। পরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। উন্মোচিত হতে থাকে ঘটনার আসল রহস্য। গ্রেফতার করা হয় জোট সরকারের সাবেক মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ অনেককে। হুজি নেতা মুফতি হান্নানের গ্রেফতারের পরে ২১ আগস্ট ঘটনার সব রহস্য উন্মোচিত হয়।

এক যুগ পার হয়েও যুক্ত হয়েছে আরও একটি বছর। পেরিয়ে গেছে ১৩টি বছর। বিচারের বাণী কাঁদছে নীরবে, নিভৃতে। বহু প্রশ্ন রয়েছে। যেগুলোর উত্তর নেই। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হচ্ছে, এই বিচারে বাধা কোথায়? এই ঘটনায়ও কী শর্ষের মধ্যে ভুত রয়েছে?

শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ: সিনিয়র সাংবাদিক।।

jsb.shuvo@gmail.com

 

 

 

 

পাঠকের মন্তব্য

শ্রেণীভুক্ত বিজ্ঞাপন

জন্মদিন/শুভেচ্ছা/অভিনন্দন


শ্রেণীভুক্ত বিজ্ঞাপন

কাজ চাই/বাড়ি ভাড়া


শ্রেণীভুক্ত বিজ্ঞাপন

ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন/অনুভূতি


 
 
নিবন্ধন করুন/ Registration