৮ময় বর্ষ সংখ্যা ৩৪ | সাপ্তাহিক  | ২৬ এপ্রিল ২০১৭ | বুধবার
কী ঘটছে জানুন, আপনার কথা জানান

৩০ এপ্রিল টরন্টোতে মঞ্চস্থ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের নাটক ‘লালজমিন

নতুনদেশ ডটকম

রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে শতাধিকবার মঞ্চস্থ হওয়া মুক্তিযুদ্ধের নাটক ‘লাল জমিন’ এবার মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে টরন্টোতে। আগামী  ৩০ এপ্রিল  সন্ধ্যা ৭টায়  ৯ ডজ রোডের রয়্যাল কানাডীয়ান লিজিয়ন হলে পরিবেশিত হবে এই নাটক।

নাটক মঞ্চায়নকে সামনে রেখে গত বৃহস্পতিার স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন প্রধান কুশলী ও অভিনেত্রী মোমেনা  চৌধুরী । টানা ২১ বছর ধরে দাপটের সাথে ঢাকার মঞ্চে অভিনয় করে আসা অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী ‘লালজমিনের’ প্রেক্ষাপট নিয়ে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশ, বাংলাদেশটা এতো সহজে পাওয়া নয়। এই যে জামাতে ইসলামী, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিভিন্ন দিকে দেশটাকে নিয়ে যেতে চায়। দেশটা অনেক কষ্টে পাওয়া। মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে কষ্ট করে এই দেশটি এনেছেন। লাল জমিন হচ্ছে সেই সংগ্রামের, মুক্তিযুদ্ধের গল্পগাথা।

মোমেনা চোধুরী বলেন,বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক কাজ হয়েছে, সাহিত্য হয়েছে, চলচ্চিত্র হয়েছে। কিন্তু মঞ্চ নাটক তেমন হয়নি। তিনি কেবল মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মঞ্চে কাজ করার জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠেন। সেই আগ্রহ থেকেই তিনি কথা বলেন, নাট্যকার মান্নান হীরার সাথে। তিনি বলেন, মান্নান হীরার মনেও মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী নিয়ে কাজ করার আকাংখাটা প্রবলভাবেই ছিলো।  কাজটা কাকে দিয়ে করাবেন সেটা হয়তো তিনি নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। আমার আগ্রহের পর তিনি লিখে ফেলেন ‘লাল জমিন’।

মোমেনা চৌধুরী বলেন, আমাদের প্রজন্মের পরের দিকে গেলেই এখনকার তরুনদের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে ধারনা একেবারেই নেই বললেই চলে। সেই তরুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধকে মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী তুলে ধরাই লালজমিনের লক্ষ্য আমরা চাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামী ইতিহাস নিয়ে তরুনদের মধ্যে একটা জাগরণ তৈরি হউক।

‘লালজমিন’ তেরো পেরিয়ে চৌদ্দে পা রাখা এক কিশোরীর জীবনের শাদা জমিন লাল হয়ে ওঠার কাহিনীকে ঘিরে আবর্তিত। কেবল মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসই নয় স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ এবং পরের দুই দশকও  উঠে এসেছে এই নাটকে। ওঠে এসেছে কিছু প্রশ্ন-যেগুলোকে মনে হবে প্রতিটি দর্শকেরই প্রশ্ন আসলে।

গল্প রচনা করেছেন মান্নান হীরা। এটি নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী। নাটকটিতে একক অভিনয় করেছেন প্রখ্যাত মঞ্চাভিনয় শিল্পী মোমেনা চৌধুরী। লাল জমিনের সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন জুলফিকার চঞ্চল ও রমিজ রাজু। কন্ঠ দিয়েছেন বারী সিদ্দিকী, রমিজ ও নীলা। কস্টিউম ডিজাইন করেছেন ওয়াহিদা মল্লিক জলি। সাইদুর রহমান বয়াতি, ইসলাম উদ্দিন পালাকারের বর্ণনাত্মক নাট্যরীতির ওপরই নির্ভর করে গড়ে উঠছে লালজমিন-এর শরীর।

পাঠকের মন্তব্য

শ্রেণীভুক্ত বিজ্ঞাপন

জন্মদিন/শুভেচ্ছা/অভিনন্দন


শ্রেণীভুক্ত বিজ্ঞাপন

কাজ চাই/বাড়ি ভাড়া


শ্রেণীভুক্ত বিজ্ঞাপন

ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন/অনুভূতি


 
 
নিবন্ধন করুন/ Registration